ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুই সপ্তাহের সহিংস বিক্ষোভের পর ‘অর্থনৈতিক সংস্কারের’ ঘোষণা ইরানের প্রেসিডেন্টের

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:২৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫২১ বার পড়া হয়েছে

ইরানে দেশব্যাপী দুই সপ্তাহ ধরে ক্রমবর্ধমান সহিংস বিক্ষোভের পর অর্থনৈতিক সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি আরও বলেছেন, তার সরকার ‘জনগণের কথা শুনতে প্রস্তুত’। খবর আল জাজিরার।

রোববার (১১ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ান একটি সমঝোতামূলক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেন, বলেন যে তার প্রশাসন দেশের অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

একই সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলকে মারাত্মক অস্থিরতা উস্কে দেয়ার জন্য অভিযুক্ত করেন।

বছরের পর বছর ধরে অর্থনৈতিক চাপের পর ডিসেম্বরের শেষের দিকে ইরানি মুদ্রার মান কমে যাওয়ায় এই সংকটের সূত্রপাত হয়, যার ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। এরপর সেই বিক্ষোভগুলো রাজনৈতিক এবং সরকারবিরোধী বিক্ষোভে পরিণত হয়।

এদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে অস্থিরতার জন্য অভিযোগ করেছেন এবং বিক্ষোভকারীদের ‘দাঙ্গাবাজ এবং ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে বর্ণনা করে ইরানীদের দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি অধিকার গোষ্ঠীর মতে, ইরানে সরকার এবং অর্থনৈতিক চাপের বিরুদ্ধে দুই সপ্তাহের বিক্ষোভে কমপক্ষে ১৯২ জন নিহত হয়েছেন।

 

তবে, রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে যে বিক্ষোভের সময় ১০৯ জন নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছেন।

 

নারীদের জন্য কঠোর পোশাকবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া মাসা আমিনির হেফাজতে মৃত্যুর পর ২০২২-২০২৩ সালে যে প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তারপর থেকে ইরানে এই বিক্ষোভই সবচেয়ে বড়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউক্রেনের ১৪৯ স্থানে একযোগে হামলা রাশিয়ার

দুই সপ্তাহের সহিংস বিক্ষোভের পর ‘অর্থনৈতিক সংস্কারের’ ঘোষণা ইরানের প্রেসিডেন্টের

আপডেট সময় ০৯:২৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানে দেশব্যাপী দুই সপ্তাহ ধরে ক্রমবর্ধমান সহিংস বিক্ষোভের পর অর্থনৈতিক সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি আরও বলেছেন, তার সরকার ‘জনগণের কথা শুনতে প্রস্তুত’। খবর আল জাজিরার।

রোববার (১১ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে পেজেশকিয়ান একটি সমঝোতামূলক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেন, বলেন যে তার প্রশাসন দেশের অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

একই সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলকে মারাত্মক অস্থিরতা উস্কে দেয়ার জন্য অভিযুক্ত করেন।

বছরের পর বছর ধরে অর্থনৈতিক চাপের পর ডিসেম্বরের শেষের দিকে ইরানি মুদ্রার মান কমে যাওয়ায় এই সংকটের সূত্রপাত হয়, যার ফলে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। এরপর সেই বিক্ষোভগুলো রাজনৈতিক এবং সরকারবিরোধী বিক্ষোভে পরিণত হয়।

এদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে অস্থিরতার জন্য অভিযোগ করেছেন এবং বিক্ষোভকারীদের ‘দাঙ্গাবাজ এবং ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে বর্ণনা করে ইরানীদের দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, সংবাদমাধ্যম ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি অধিকার গোষ্ঠীর মতে, ইরানে সরকার এবং অর্থনৈতিক চাপের বিরুদ্ধে দুই সপ্তাহের বিক্ষোভে কমপক্ষে ১৯২ জন নিহত হয়েছেন।

 

তবে, রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে যে বিক্ষোভের সময় ১০৯ জন নিরাপত্তা কর্মী নিহত হয়েছেন।

 

নারীদের জন্য কঠোর পোশাকবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া মাসা আমিনির হেফাজতে মৃত্যুর পর ২০২২-২০২৩ সালে যে প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তারপর থেকে ইরানে এই বিক্ষোভই সবচেয়ে বড়।