ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দলের পদ গেলেও এলাকার মানুষ আমাকে ছেড়ে যায় নাই: রুমিন ফারহানা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:২১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৭ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির বহিষ্কৃত আন্তর্জাতিক–বিষয়ক সহসম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘আমার দলের পদ চলে গেলেও আমার এলাকার মানুষ তো আমাকে ছেড়ে চলে যায় নাই।’

 

আজ সোমবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শাখাইতি গ্রামে এক উঠান বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

 

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমাকে যখন দল মনোনয়ন দেয়নি, তখন অনেকেই আমাকে বলেছেন, আপনি তো সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে পারতেন, আপনি তো উচ্চকক্ষেও যেতে পারতেন। আপনি কেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হইলেন? দল যদি ক্ষমতায় যায়, আপনার তো অনেক ভালো অবস্থা হইতে পারত। এসব ছেড়ে কেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন? আমি বললাম, এলাকার মানুষের কষ্ট, পরিশ্রম, তাঁদের অর্থ ব্যয়, তাঁদের ভালোবাসা ও আমার প্রতি তাঁদের বিশ্বাস আমাকে আজকে এত দূর নিয়ে আসছে।’

 

বিএনপি থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আজকে দল নেই বলে আমি আমার মানুষদের ফালাই দিয়ে চলে যাব—আমি সেইটা করব না। এই কারণেই দলে আমার পদ গেছে। আমি বলেছি, পদ গেছে ঠিক আছে, আমার মানুষ তো আছে। দল যদি জোটকেও দেয়, আমার মানুষের ভালোবাসা তো আমাকে ঘিরে রাখছে। সুতরাং আপনারা যতক্ষণ আমার পাশে আছেন, পৃথিবীর কোনো শক্তি নাই ইনশা আল্লাহ আমাকে আমার লক্ষ্য থেকে সরাই দেয়। আমার লক্ষ্য হচ্ছে, অবহেলিত সরাইল-আশুগঞ্জ উপজেলা দুটিকে মডেল উপজেলা করা।’

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এই স্বতন্ত্র প্রার্থী বলেন, ‘আপনাদের বাপ-দাদাদের ভোটে ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আমার বাবা (ভাষাসংগ্রামী অলি আহাদ) স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে এই আসন থেকে জয় পেয়েছিলেন। কিন্তু আমার বাবাকে কাজ করতে দেওয়া হয় নাই। আমার বাবার অনেক স্বপ্ন ছিল। আমি বিজয়ী হয়ে আমার বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে বিএনপি জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। রুমিন ফারহানা এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। গত ৩০ ডিসেম্বর তাঁকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

পথের শেষ কাঁটাও সরে গেল, বহু নাটকের পর মুখ্যমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন থালাপতি বিজয়

দলের পদ গেলেও এলাকার মানুষ আমাকে ছেড়ে যায় নাই: রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ০৯:২১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির বহিষ্কৃত আন্তর্জাতিক–বিষয়ক সহসম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘আমার দলের পদ চলে গেলেও আমার এলাকার মানুষ তো আমাকে ছেড়ে চলে যায় নাই।’

 

আজ সোমবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের শাখাইতি গ্রামে এক উঠান বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

 

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আমাকে যখন দল মনোনয়ন দেয়নি, তখন অনেকেই আমাকে বলেছেন, আপনি তো সংরক্ষিত আসনে এমপি হতে পারতেন, আপনি তো উচ্চকক্ষেও যেতে পারতেন। আপনি কেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হইলেন? দল যদি ক্ষমতায় যায়, আপনার তো অনেক ভালো অবস্থা হইতে পারত। এসব ছেড়ে কেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন? আমি বললাম, এলাকার মানুষের কষ্ট, পরিশ্রম, তাঁদের অর্থ ব্যয়, তাঁদের ভালোবাসা ও আমার প্রতি তাঁদের বিশ্বাস আমাকে আজকে এত দূর নিয়ে আসছে।’

 

বিএনপি থেকে বহিষ্কারের বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘আজকে দল নেই বলে আমি আমার মানুষদের ফালাই দিয়ে চলে যাব—আমি সেইটা করব না। এই কারণেই দলে আমার পদ গেছে। আমি বলেছি, পদ গেছে ঠিক আছে, আমার মানুষ তো আছে। দল যদি জোটকেও দেয়, আমার মানুষের ভালোবাসা তো আমাকে ঘিরে রাখছে। সুতরাং আপনারা যতক্ষণ আমার পাশে আছেন, পৃথিবীর কোনো শক্তি নাই ইনশা আল্লাহ আমাকে আমার লক্ষ্য থেকে সরাই দেয়। আমার লক্ষ্য হচ্ছে, অবহেলিত সরাইল-আশুগঞ্জ উপজেলা দুটিকে মডেল উপজেলা করা।’

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এই স্বতন্ত্র প্রার্থী বলেন, ‘আপনাদের বাপ-দাদাদের ভোটে ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে আমার বাবা (ভাষাসংগ্রামী অলি আহাদ) স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে এই আসন থেকে জয় পেয়েছিলেন। কিন্তু আমার বাবাকে কাজ করতে দেওয়া হয় নাই। আমার বাবার অনেক স্বপ্ন ছিল। আমি বিজয়ী হয়ে আমার বাবার স্বপ্ন পূরণ করতে চাই।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে বিএনপি জোটের শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। রুমিন ফারহানা এই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। গত ৩০ ডিসেম্বর তাঁকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।