ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পিতাকে হজ্বে না পাঠিয়ে পরপারে পাঠিয়ে দিলো সন্তান

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:৫৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫২৯ বার পড়া হয়েছে

সুরুজ মিয়া যৌবন পড়িয়ে পৌঁছে গেছেন বৃদ্ধকালে। তিন ছেলেকে আলাদা করে জমিজমা ও সম্পত্তি বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। ঘরে ছিলো ছয়টি গরু। তবে শর্ত ছিল বাবার হজ্বের জন্য নির্ধারিত টাকা পরিশোধের পর ছয়টি গরু তিন ভাইয়ের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। সোমবার বিকেলে বাবার হজের টাকা পরিশোধ না করেই বড় ছেলে ফয়েজ মিয়া গরু বিক্রির চেষ্টা করলে বাবা-ছেলের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বাবা সুরুজ মিয়ার আকুতি আমার হজ্বের জন্য নির্ধারিত টাকা না দিয়ে গরু বিক্রি করিস না। এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ফয়েজ মিয়া একটা কাঠের চেলি দিয়ে তার বাবা সুরুজ মিয়ার মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় সুরুজ মিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ছেলে ফয়েজ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

পিতাকে হজ্বে না পাঠিয়ে নিজ হাতে তাকে হত্যা করে পরপারে পাঠিয়ে দিয়েছে নিজের ঔরসজাত সন্তান।

 

সোমবার বিকেলে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের সুবিলারচর গ্রামে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। নিহত সুরুজ মিয়া (৬৫) সুবিলারচর গ্রামের মৃত জাহেদ আলীর ছেলে। ঘাতক ফয়েজ মিয়া (৩২) নিহতের বড় ছেলে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মুরাদনগর থানায় নিয়ে আসে। নিহতের স্ত্রী লাইলী বেগম বাদী হয়ে সোমরা রাতে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জামিল খান বলেন, “গরু নিয়ে বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ছেলে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বছরের শুরুতেই বড় ধাক্কা খেল ভারত

পিতাকে হজ্বে না পাঠিয়ে পরপারে পাঠিয়ে দিলো সন্তান

আপডেট সময় ১২:৫৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

সুরুজ মিয়া যৌবন পড়িয়ে পৌঁছে গেছেন বৃদ্ধকালে। তিন ছেলেকে আলাদা করে জমিজমা ও সম্পত্তি বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি। ঘরে ছিলো ছয়টি গরু। তবে শর্ত ছিল বাবার হজ্বের জন্য নির্ধারিত টাকা পরিশোধের পর ছয়টি গরু তিন ভাইয়ের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। সোমবার বিকেলে বাবার হজের টাকা পরিশোধ না করেই বড় ছেলে ফয়েজ মিয়া গরু বিক্রির চেষ্টা করলে বাবা-ছেলের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বাবা সুরুজ মিয়ার আকুতি আমার হজ্বের জন্য নির্ধারিত টাকা না দিয়ে গরু বিক্রি করিস না। এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ফয়েজ মিয়া একটা কাঠের চেলি দিয়ে তার বাবা সুরুজ মিয়ার মাথায় এলোপাতাড়ি আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় সুরুজ মিয়া মাটিতে লুটিয়ে পড়লে ছেলে ফয়েজ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

পিতাকে হজ্বে না পাঠিয়ে নিজ হাতে তাকে হত্যা করে পরপারে পাঠিয়ে দিয়েছে নিজের ঔরসজাত সন্তান।

 

সোমবার বিকেলে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের সুবিলারচর গ্রামে চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। নিহত সুরুজ মিয়া (৬৫) সুবিলারচর গ্রামের মৃত জাহেদ আলীর ছেলে। ঘাতক ফয়েজ মিয়া (৩২) নিহতের বড় ছেলে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে মুরাদনগর থানায় নিয়ে আসে। নিহতের স্ত্রী লাইলী বেগম বাদী হয়ে সোমরা রাতে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জামিল খান বলেন, “গরু নিয়ে বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ছেলে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।