ঢাকা ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনানকে নেয়া হল ঢাকা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সে হাসপাতালে

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:১৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫১৬ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফা আফনানকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তাসলিম উদ্দিন জানান, আজ মঙ্গলবার সকালে মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের পর বিকেল আফনানকে একটি বিশেষায়িত এম্বুলেন্স যোগে ঢাকা প্রেরণ করা হয়। সাথে পরিবারের তিন সদস্য ও একজন বিজিবি সদস্যও রয়েছেন।

চমেক হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান ডাক্তার হারুনুর রশিদ বলেন, অস্ত্রোপাচার করেও গুলিটি মস্তিষ্ক থেকে বাহির করা সম্ভব হয়নি। চিকিৎসার অংশ হিসেবে মস্তিষ্কের ভেতরের চাপ কমাতে তার মাথার খুলি কিছুটা খোলা রাখা হয়েছে। গুলিটি মস্তিষ্কের ঠিক পেছনের অংশে গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালির সংবেদনশীল জায়গায় আটকে আছে। এ অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে প্রাণনাশের ঝুঁকি রয়েছে।

 

প্রসঙ্গত, গত রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে গুরুতর আহত হয় ৩য় শ্রেণীর ছাত্রী শিশু হুজাইফা আফনান। সে টেকনাফের হোয়াইক্যং তেচ্ছিব্রিজ এলাকার স্থানীয় জসিম উদ্দিনের মেয়ে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনা, পাল্টা কড়া সতর্কবার্তা রাশিয়ার

সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনানকে নেয়া হল ঢাকা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সে হাসপাতালে

আপডেট সময় ১১:১৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফা আফনানকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সে হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তাসলিম উদ্দিন জানান, আজ মঙ্গলবার সকালে মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তের পর বিকেল আফনানকে একটি বিশেষায়িত এম্বুলেন্স যোগে ঢাকা প্রেরণ করা হয়। সাথে পরিবারের তিন সদস্য ও একজন বিজিবি সদস্যও রয়েছেন।

চমেক হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগের প্রধান ডাক্তার হারুনুর রশিদ বলেন, অস্ত্রোপাচার করেও গুলিটি মস্তিষ্ক থেকে বাহির করা সম্ভব হয়নি। চিকিৎসার অংশ হিসেবে মস্তিষ্কের ভেতরের চাপ কমাতে তার মাথার খুলি কিছুটা খোলা রাখা হয়েছে। গুলিটি মস্তিষ্কের ঠিক পেছনের অংশে গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালির সংবেদনশীল জায়গায় আটকে আছে। এ অবস্থায় অস্ত্রোপচার করলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে প্রাণনাশের ঝুঁকি রয়েছে।

 

প্রসঙ্গত, গত রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে মিয়ানমার থেকে ছোঁড়া গুলিতে গুরুতর আহত হয় ৩য় শ্রেণীর ছাত্রী শিশু হুজাইফা আফনান। সে টেকনাফের হোয়াইক্যং তেচ্ছিব্রিজ এলাকার স্থানীয় জসিম উদ্দিনের মেয়ে।