ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে দেশটির জনগণ: মালালা ইউসুফজাই

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৯০ বার পড়া হয়েছে

সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মালালা ইউসুফজাই বলেছেন, ইরানের জনগণ সে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) মালালা ইউসুফজাই এ মন্তব্য করেন।

মালালা লিখেছেন, ‘ইরানের এই বিক্ষোভকে শিক্ষা ও জনজীবনের সব ক্ষেত্রে মেয়েদের ও নারীদের স্বাধীনতার ওপর দীর্ঘকাল ধরে চাপিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রীয় বিধিনিষেধ থেকে আলাদা করে দেখা যাবে না। সব জায়গার মেয়েদের মতোই ইরানি মেয়েরাও মর্যাদার সঙ্গে জীবন যাপন করতে চান।’

 

মালালা আরও বলেন, ‘ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে দেশটির জনগণ, যেখানে ইরানি নারী ও মেয়েদের নেতৃত্ব থাকতে হবে—কোনো বিদেশি শক্তি বা দমনকারী শাসনব্যবস্থা নয়।’

 

পাকিস্তানে মেয়েদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২০১৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করেন মালালা ইউসুফজাই।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে দেশটির জনগণ: মালালা ইউসুফজাই

আপডেট সময় ১১:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন জানিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মালালা ইউসুফজাই বলেছেন, ইরানের জনগণ সে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) মালালা ইউসুফজাই এ মন্তব্য করেন।

মালালা লিখেছেন, ‘ইরানের এই বিক্ষোভকে শিক্ষা ও জনজীবনের সব ক্ষেত্রে মেয়েদের ও নারীদের স্বাধীনতার ওপর দীর্ঘকাল ধরে চাপিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রীয় বিধিনিষেধ থেকে আলাদা করে দেখা যাবে না। সব জায়গার মেয়েদের মতোই ইরানি মেয়েরাও মর্যাদার সঙ্গে জীবন যাপন করতে চান।’

 

মালালা আরও বলেন, ‘ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে দেশটির জনগণ, যেখানে ইরানি নারী ও মেয়েদের নেতৃত্ব থাকতে হবে—কোনো বিদেশি শক্তি বা দমনকারী শাসনব্যবস্থা নয়।’

 

পাকিস্তানে মেয়েদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ২০১৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করেন মালালা ইউসুফজাই।