শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন পূর্বঘোষিত ২০ জানুয়ারি আয়োজনের অনুমতি দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে সেজন্য তিনটি শর্তের নিশ্চয়তা প্রদান করতে হবে প্রার্থীদের। তবে এসব শর্ত মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন প্রার্থীরা।
জানা গেছে, ৫ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক স্মারকলিপির মাধ্যমে গতকাল সোমবার রাতে শাকসু নির্বাচন স্থগিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
নির্দেশনাটি শিক্ষার্থীদের হাতে এলে উত্তপ্ত হয়ে উঠে ক্যাম্পাস। রাতভর এ ঘটনার জেরে আন্দোলন ও আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয় বিশ্ববিদ্যালের উপাচার্য মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে আলোচনা করে বিকেল ৫টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের ২০ জানুয়ারী নির্বাচনের নিশ্চয়তা প্রদার করবেন।
নির্ধারিত সময়ে অফিসিয়াল ঘোষণা না আসায় আজ (১৩ জানুয়ারি) প্রশাসনি ভবন-১-এর সামনে অবস্থান নিতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তারা ‘আবু সাঈদ-মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘শাকসু মোদের অধিকার রুখে দেওয়ার সাধ্য কার’, ‘শাকসু নিয়ে তালবাহানা, চলবে না চলবে না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ এম সারওয়ার উদ্দিন চৌধুরী জাতীয় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে আলোচনা করেছেন এবং ২০ জানুয়ারি নির্বাচন আয়োজনে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
তবে তিনি শর্ত জুড়ে দিয়ে বলেন, নির্বাচনকালীন কোনো অকারেন্স হবে না, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হবে না, জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না এই তিনটি শর্তে অঙ্গীকারনামা প্রদান করতে হবে প্রার্থীদের।
তার এমন প্রস্তাব আন্দোলনে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা প্রত্যাখ্যান করেন এবং তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। তারা নির্বাচন আয়োজনে সকল সহায়তা প্রদান করবেন জানিয়ে প্রশাসনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানান।



















