ঢাকা ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপির মিডিয়া সেলের থেকে জামায়াতের বট আইডি শক্তিশালী: মীর স্নিগ্ধ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০২:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫০৬ বার পড়া হয়েছে

এবার বিএনপির মিডিয়া সেলের তুলনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জামায়াতের বট আইডি বেশি শক্তিশালী কি না—এমন মন্তব্য করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ মীর মুগ্ধের ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

পোস্টে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ লেখেন, সারাদিন ফেসবুকে সক্রিয় না থাকার পর মধ্যরাতে প্রবেশ করে তিনি দেখেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিভিন্ন কর্মসূচি ও বক্তব্যসংক্রান্ত সংবাদে বিপুল সংখ্যক ‘হাহা’ রিয়েক্ট দেওয়া হয়েছে।

তারেক রহমানের ‘ফ্যামিলি কার্ড ক্যাম্পেইন’-সংক্রান্ত একটি খবরে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার রিয়েক্টের মধ্যে ৭০ শতাংশই ‘হাহা’, এবং কড়াইল বস্তিবাসীদের ফ্ল্যাট দেওয়ার ঘোষণার খবরে **৪০ হাজার রিয়েক্টের মধ্যে ৬৫ শতাংশ ‘হাহা’ ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এছাড়া বিএনপির নেতা মির্জা আব্বাসের একটি বক্তব্যসংক্রান্ত সংবাদেও অধিকাংশ প্রতিক্রিয়া ‘হাহা’ রিয়েক্ট ছিল বলে দাবি করেন স্নিগ্ধ। তিনি আরও লেখেন,একই সময়ে তিনি বিএনপি সমর্থকদের অনেক পোস্ট দেখেছেন, যেখানে ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা.খালিদুজ্জামানের ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

এ বিষয়টি যাচাই করে তিনি বলেন, উক্ত ডিগ্রি ভারতের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ইনফার্টিলিটি বিষয়ে অর্জিত, যা ভুয়া নয়; তবে বিদেশি ডিগ্রি হওয়ায় বাংলাদেশে তা অননুমোদিত হতে পারে। এসব পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ প্রশ্ন তোলেন, বিএনপির মিডিয়া সেল কি খুবই দুর্বল, নাকি সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে জামায়াতের লাখ লাখ বট আইডি কাজ করছে?

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের জরিপে বিএনপি পিছিয়ে থাকলেও একটি জাতীয় দৈনিকের জরিপে দলটি প্রায় ৭০ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। তার মতে, গ্রাম-গঞ্জে ধানের শীষের জনপ্রিয়তা এখনো বেশি থাকার কথা। সবশেষে তিনি লেখেন, সম্ভবত বিএনপি সমর্থকেরা তুলনামূলকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কম সক্রিয়, যার কারণেই অনলাইনে এমন প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তার এই মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতীক পেয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন প্রার্থী, কান্নায় ভেঙে পড়লেন কর্মী-সমর্থক

বিএনপির মিডিয়া সেলের থেকে জামায়াতের বট আইডি শক্তিশালী: মীর স্নিগ্ধ

আপডেট সময় ০২:৪৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

এবার বিএনপির মিডিয়া সেলের তুলনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জামায়াতের বট আইডি বেশি শক্তিশালী কি না—এমন মন্তব্য করেছেন জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ মীর মুগ্ধের ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডি থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন।

পোস্টে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ লেখেন, সারাদিন ফেসবুকে সক্রিয় না থাকার পর মধ্যরাতে প্রবেশ করে তিনি দেখেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিভিন্ন কর্মসূচি ও বক্তব্যসংক্রান্ত সংবাদে বিপুল সংখ্যক ‘হাহা’ রিয়েক্ট দেওয়া হয়েছে।

তারেক রহমানের ‘ফ্যামিলি কার্ড ক্যাম্পেইন’-সংক্রান্ত একটি খবরে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার রিয়েক্টের মধ্যে ৭০ শতাংশই ‘হাহা’, এবং কড়াইল বস্তিবাসীদের ফ্ল্যাট দেওয়ার ঘোষণার খবরে **৪০ হাজার রিয়েক্টের মধ্যে ৬৫ শতাংশ ‘হাহা’ ছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এছাড়া বিএনপির নেতা মির্জা আব্বাসের একটি বক্তব্যসংক্রান্ত সংবাদেও অধিকাংশ প্রতিক্রিয়া ‘হাহা’ রিয়েক্ট ছিল বলে দাবি করেন স্নিগ্ধ। তিনি আরও লেখেন,একই সময়ে তিনি বিএনপি সমর্থকদের অনেক পোস্ট দেখেছেন, যেখানে ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা.খালিদুজ্জামানের ডিগ্রি নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

এ বিষয়টি যাচাই করে তিনি বলেন, উক্ত ডিগ্রি ভারতের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে ইনফার্টিলিটি বিষয়ে অর্জিত, যা ভুয়া নয়; তবে বিদেশি ডিগ্রি হওয়ায় বাংলাদেশে তা অননুমোদিত হতে পারে। এসব পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ প্রশ্ন তোলেন, বিএনপির মিডিয়া সেল কি খুবই দুর্বল, নাকি সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে জামায়াতের লাখ লাখ বট আইডি কাজ করছে?

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের জরিপে বিএনপি পিছিয়ে থাকলেও একটি জাতীয় দৈনিকের জরিপে দলটি প্রায় ৭০ শতাংশ ভোট পেয়েছিল। তার মতে, গ্রাম-গঞ্জে ধানের শীষের জনপ্রিয়তা এখনো বেশি থাকার কথা। সবশেষে তিনি লেখেন, সম্ভবত বিএনপি সমর্থকেরা তুলনামূলকভাবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কম সক্রিয়, যার কারণেই অনলাইনে এমন প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তার এই মন্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।