ঢাকা ১১:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমার হাঁস আমার চাষ করা ধানই খাবে

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:৩৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৩৪ বার পড়া হয়েছে

ভোটকেন্দ্রে জাল ভোট রোধে কর্মী-সমর্থকদের সতর্ক ও সক্রিয় থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়গরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

পথসভায় রুমিন ফারহানা বলেন, “আপনারা ভোটকেন্দ্র পাহারায় থাকবেন। একটা জাল ভোট যেন দিতে না পারে। আমার একটা হাঁসও যেন কোনো শিয়াল চুরি না করে। গুনে গুনে হাঁস আপনারা খোঁয়ারে তুলবেন।” তিনি নিজের রাজনৈতিক সংগ্রামের উপমা টেনে বলেন, “১৫ বছর হালচাষ করলাম, বীজ দিলাম, ধান লাগালাম। ফসল কাটার সময় যদি মরুভূমি আসে, তাহলে কেমন লাগে? আমার হাঁস আমার চাষ করা ধানই খাবে।”

বিএনপির সাবেক এই নেত্রী বলেন, এবারের নির্বাচন সাধারণ মানুষের নির্বাচন। “হাঁস কোনো দলের প্রতীক নয়, কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর প্রতীকও নয়। হাঁস হলো সাধারণ মানুষের প্রতীক। হাঁস মার্কা উন্নয়নের মার্কা, গণতন্ত্রের মার্কা, সাহস ও সততার মার্কা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মার্কা। সংসদের ৩০০ এমপির বিরুদ্ধে একা লড়াই করার মার্কা,”—বলেন তিনি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ভোটের দিন (১২ তারিখ) সকাল থেকে ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। “আপনারাই আমার ভোটের হেফাজতকারী। আপনারা একটা দিন আমার জন্য কষ্ট করেন। আগামী পাঁচ বছর আমি এই দুই উপজেলাকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলব,”—প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

পথসভায় তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস প্রসঙ্গও তোলেন। রুমিন ফারহানা বলেন, “আমার মা-বোনেরা আমাকে গ্যাসের কথা বলেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাজার নেতা এসেছেন, হাজার নেতা গেছেন। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ আগে পাবে—তারপর বাংলাদেশের অন্য এলাকায় যাবে। এই কথা আমি প্রথম বলেছি।” এ বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো ‘হাইকমান্ডের’ নেতা নয়, বরং এলাকার মানুষের দাবিই তাঁর দাবি।

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনে কারচুপি রুখতে ছাত্র জনতাকে রাজপথে থাকতে হবে- আল্লামা মামুনুল হক

আমার হাঁস আমার চাষ করা ধানই খাবে

আপডেট সময় ১০:৩৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

ভোটকেন্দ্রে জাল ভোট রোধে কর্মী-সমর্থকদের সতর্ক ও সক্রিয় থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়গরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

পথসভায় রুমিন ফারহানা বলেন, “আপনারা ভোটকেন্দ্র পাহারায় থাকবেন। একটা জাল ভোট যেন দিতে না পারে। আমার একটা হাঁসও যেন কোনো শিয়াল চুরি না করে। গুনে গুনে হাঁস আপনারা খোঁয়ারে তুলবেন।” তিনি নিজের রাজনৈতিক সংগ্রামের উপমা টেনে বলেন, “১৫ বছর হালচাষ করলাম, বীজ দিলাম, ধান লাগালাম। ফসল কাটার সময় যদি মরুভূমি আসে, তাহলে কেমন লাগে? আমার হাঁস আমার চাষ করা ধানই খাবে।”

বিএনপির সাবেক এই নেত্রী বলেন, এবারের নির্বাচন সাধারণ মানুষের নির্বাচন। “হাঁস কোনো দলের প্রতীক নয়, কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর প্রতীকও নয়। হাঁস হলো সাধারণ মানুষের প্রতীক। হাঁস মার্কা উন্নয়নের মার্কা, গণতন্ত্রের মার্কা, সাহস ও সততার মার্কা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর মার্কা। সংসদের ৩০০ এমপির বিরুদ্ধে একা লড়াই করার মার্কা,”—বলেন তিনি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ভোটের দিন (১২ তারিখ) সকাল থেকে ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেন্দ্র পাহারা দিতে হবে। “আপনারাই আমার ভোটের হেফাজতকারী। আপনারা একটা দিন আমার জন্য কষ্ট করেন। আগামী পাঁচ বছর আমি এই দুই উপজেলাকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলব,”—প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

পথসভায় তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস প্রসঙ্গও তোলেন। রুমিন ফারহানা বলেন, “আমার মা-বোনেরা আমাকে গ্যাসের কথা বলেছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হাজার নেতা এসেছেন, হাজার নেতা গেছেন। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মানুষ আগে পাবে—তারপর বাংলাদেশের অন্য এলাকায় যাবে। এই কথা আমি প্রথম বলেছি।” এ বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো ‘হাইকমান্ডের’ নেতা নয়, বরং এলাকার মানুষের দাবিই তাঁর দাবি।