ঢাকা ০২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমাকে ‘স্যার’ না, ভাইয়া ডাকলে ভালো লাগবে: তারেক রহমান

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:৪৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৯ বার পড়া হয়েছে

এবার নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে ‘স্যার’ না ডেকে ‘ভাইয়া’ ডাকার পরামর্শ দিলেন। আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের র‍্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলের মেজবান হলে ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শুরু হয়। অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, এ মুহূর্তে অ্যাডভান্টেজ হল, আমাদের ইয়ুথ ফোর্স অনেক বেশি, যা আগামী ১৫-২০ বছর থাকবে। এই ওয়ার্ক ফোর্সের সুবিধা আমরা পাব। বাংলাদেশকে আমরা কীভাবে আগামী দিনে সাজাতে চাই সেটা বলব।

তারেক রহমান বলেন, বললে অনেক কথা বলতে পারি, এ খারাপ ও খারাপ। কিন্তু তাতে সমাধান আসবে না। অনেক সমস্যা আছে সেগুলো নিরসনে কিছু প্ল্যান গ্রহণ করেছি। ভবিষ্যতে আপনারা যারা দেশকে পরিচালনা করবেন তারা কীভাবে দেশকে পরিচালনা করবেন তা শুনতে চাই। এরপর প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া হলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের একজন শিক্ষার্থী মাইক নিয়ে বলেন, আসসালামুআলাইকুম স্যার। এ সময় তারেক রহমান বলেন, একটু পজ দিই। আপনি, আপনারা যারা প্রশ্ন করবেন, আমাকে ভাইয়া বলতে পারেন। এ সময় ওই শিক্ষার্থী বলে ওঠেন, থ্যাংক ইউ স্যার।

এরপর তারেক রহমান তার অসম্পূর্ণ বাক্য শেষ করেন। তিনি বলেন, বয়সের হিসেবে আঙ্কেল ডাকতে পারেন। তবে আঙ্কেল ডাকটা শুনতে খুব একটা পছন্দ করব না। ভাইয়া বললে ভালো লাগবে। এরপর আচ্ছা ধন্যবাদ, আচ্ছা ভাইয়া বলে প্রশ্ন শুরু করেন ওই তরুণী। তিনি বলেন, ২০২০ সালে মহামারীর মধ্যে তারা মাশুরুমের ব্যবসা শুরু করেছিলেন। কিন্তু পুঁজির সংকটে বেশিদিন চালাতে পারেননি।

জামানত দেওয়ার নিয়মের কারণে তরুণ উদ্যোক্তারা ঋণ নিতে গিয়ে যে জটিলতায় পড়েন, সে কথা তুলে ধরে শিক্ষার্থী বলেন, বিএনপি নির্বাচিত হলে ভবিষ্যতে উদ্যোক্তাদের সহায়তায় কী পদক্ষেপ নেবে। জবাবে তারেক রহমান বলেন, দেশে ব্যাংকঋণের ক্ষেত্রে অনেক জটিলতা আছে। নির্বাচিত হলে আইন সংশোধন করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা করার পরিকল্পনা তাদের আছে।

পাশাপাশি যারা পড়ালেখা করতে বিদেশে যেতে চায়, তাদের জন্য ‘স্টুডেন্ট লোন’ দেওয়া যায় কি না- সে ভাবনা আছে বলেও তারেক রহমান জানান। এরপর চট্টগ্রাম মা ও শিশু মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের একজন শিক্ষার্থী প্রশ্ন করতে উঠে জানতে চান, আপনি কেমন আছেন? উত্তরে তারেক রহমান বলেন, একটু হালকা জ্বর আছে। এরপর ওই শিক্ষার্থী জলাবদ্ধতা সংকট, উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষা সমন্বয় এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে বিএনপির পরিকল্পনা জানতে চান।

জবাবে তারেক রহমান বলেন, চট্টগ্রাম ঢাকাসহ সব বড় শহরে জলাবদ্ধতা আছে। এটা কাটাতে একটা কাজ করতে হবে তা হলো খাল খনন। বৃষ্টি হলে পানি জমে যায়। পানিগুলো তো কোথাও যেতে হবে। তাই দরকার খাল খনন। সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল আমরা খনন করব। চট্টগ্রাম ও আশেপাশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন এই ইয়ুথ পলিসি টকে। দীর্ঘ দুই দশক পর চট্টগ্রামে এলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে নির্বাচনি সমাবেশে যোগ দেবেন তিনি। এ উপলক্ষে ভোর থেকেই পলোগ্রাউন্ডে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। চট্টগ্রাম জেলার নানা প্রান্ত থেকে মানুষ জড়ো হয়েছে তারেক রহমানের বক্তব্য শুনতে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

আমাকে ‘স্যার’ না, ভাইয়া ডাকলে ভালো লাগবে: তারেক রহমান

আপডেট সময় ১২:৪৫:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

এবার নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে ‘স্যার’ না ডেকে ‘ভাইয়া’ ডাকার পরামর্শ দিলেন। আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের র‍্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলের মেজবান হলে ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শুরু হয়। অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, এ মুহূর্তে অ্যাডভান্টেজ হল, আমাদের ইয়ুথ ফোর্স অনেক বেশি, যা আগামী ১৫-২০ বছর থাকবে। এই ওয়ার্ক ফোর্সের সুবিধা আমরা পাব। বাংলাদেশকে আমরা কীভাবে আগামী দিনে সাজাতে চাই সেটা বলব।

তারেক রহমান বলেন, বললে অনেক কথা বলতে পারি, এ খারাপ ও খারাপ। কিন্তু তাতে সমাধান আসবে না। অনেক সমস্যা আছে সেগুলো নিরসনে কিছু প্ল্যান গ্রহণ করেছি। ভবিষ্যতে আপনারা যারা দেশকে পরিচালনা করবেন তারা কীভাবে দেশকে পরিচালনা করবেন তা শুনতে চাই। এরপর প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া হলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের একজন শিক্ষার্থী মাইক নিয়ে বলেন, আসসালামুআলাইকুম স্যার। এ সময় তারেক রহমান বলেন, একটু পজ দিই। আপনি, আপনারা যারা প্রশ্ন করবেন, আমাকে ভাইয়া বলতে পারেন। এ সময় ওই শিক্ষার্থী বলে ওঠেন, থ্যাংক ইউ স্যার।

এরপর তারেক রহমান তার অসম্পূর্ণ বাক্য শেষ করেন। তিনি বলেন, বয়সের হিসেবে আঙ্কেল ডাকতে পারেন। তবে আঙ্কেল ডাকটা শুনতে খুব একটা পছন্দ করব না। ভাইয়া বললে ভালো লাগবে। এরপর আচ্ছা ধন্যবাদ, আচ্ছা ভাইয়া বলে প্রশ্ন শুরু করেন ওই তরুণী। তিনি বলেন, ২০২০ সালে মহামারীর মধ্যে তারা মাশুরুমের ব্যবসা শুরু করেছিলেন। কিন্তু পুঁজির সংকটে বেশিদিন চালাতে পারেননি।

জামানত দেওয়ার নিয়মের কারণে তরুণ উদ্যোক্তারা ঋণ নিতে গিয়ে যে জটিলতায় পড়েন, সে কথা তুলে ধরে শিক্ষার্থী বলেন, বিএনপি নির্বাচিত হলে ভবিষ্যতে উদ্যোক্তাদের সহায়তায় কী পদক্ষেপ নেবে। জবাবে তারেক রহমান বলেন, দেশে ব্যাংকঋণের ক্ষেত্রে অনেক জটিলতা আছে। নির্বাচিত হলে আইন সংশোধন করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা করার পরিকল্পনা তাদের আছে।

পাশাপাশি যারা পড়ালেখা করতে বিদেশে যেতে চায়, তাদের জন্য ‘স্টুডেন্ট লোন’ দেওয়া যায় কি না- সে ভাবনা আছে বলেও তারেক রহমান জানান। এরপর চট্টগ্রাম মা ও শিশু মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের একজন শিক্ষার্থী প্রশ্ন করতে উঠে জানতে চান, আপনি কেমন আছেন? উত্তরে তারেক রহমান বলেন, একটু হালকা জ্বর আছে। এরপর ওই শিক্ষার্থী জলাবদ্ধতা সংকট, উন্নয়ন ও পরিবেশ সুরক্ষা সমন্বয় এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণ বিষয়ে বিএনপির পরিকল্পনা জানতে চান।

জবাবে তারেক রহমান বলেন, চট্টগ্রাম ঢাকাসহ সব বড় শহরে জলাবদ্ধতা আছে। এটা কাটাতে একটা কাজ করতে হবে তা হলো খাল খনন। বৃষ্টি হলে পানি জমে যায়। পানিগুলো তো কোথাও যেতে হবে। তাই দরকার খাল খনন। সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল আমরা খনন করব। চট্টগ্রাম ও আশেপাশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন এই ইয়ুথ পলিসি টকে। দীর্ঘ দুই দশক পর চট্টগ্রামে এলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে নির্বাচনি সমাবেশে যোগ দেবেন তিনি। এ উপলক্ষে ভোর থেকেই পলোগ্রাউন্ডে নেতাকর্মীদের ঢল নেমেছে। চট্টগ্রাম জেলার নানা প্রান্ত থেকে মানুষ জড়ো হয়েছে তারেক রহমানের বক্তব্য শুনতে।