ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুলিশের বাইকে চড়ে জামায়াত প্রার্থী ফয়জুল হকের নির্বাচনী প্রচারণা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৩:৪১:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৭৫ বার পড়া হয়েছে

গ্রামের উঠানে পাতা প্লাস্টিকের চেয়ারে বসে কথা বলছেন ঝালকাঠী-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ফয়জুল হক। তার চারপাশ ঘীরে কয়েকজন সমর্থক। দৃশ্যটি গ্রামবাংলার নির্বাচনী প্রচারে নতুন নয়। কিন্তু একটু চোখ ফেরালেই ভিন্ন চিত্র। উঠানের এক পাশে, কখনো আবার প্রার্থীর ঠিক পেছনেই দাঁড়িয়ে আছেন ইউনিফর্ম পরা পুলিশ সদস্যরা। কিছু কর্মসূচিতে পুলিশ সদস্যরা শুধু দূরে দাঁড়িয়ে নজরদারি করছেন না, প্রার্থীর একেবারে কাছাকাছি অবস্থান করছেন। তফসিল ঘোষণার পর বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন পান ফয়জুল।

উঠান বৈঠক শেষে একাধিকবার ফয়জুল হককে পুলিশের মোটরসাইকেলের পেছনে বসে সভাস্থল ত্যাগ করতে দেখা গেছে। এসব দৃশ্য গত ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্য ৭টা ৫৭ মিনিটে রাজাপুরের মঠবাড়ী ইউনিয়নের বাদুরতলা বাজারে ধারণ করা। ছবি দেখে বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনী মাঠে কোনো প্রার্থীর জন্য রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বিশেষ ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

নির্বাচনী প্রচারের এই ছবি শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচির নয়, এখানে রাষ্ট্রের উপস্থিতিও দৃশ্যমান, যার প্রভাব পড়তে পারে যেটা ভোটে। ঝালকাঠী-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণার পর তিনি (জামায়াত প্রার্থী) পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন।

সেই সময়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ঘটনার পরও তফসিল ঘোষণার দিন থেকে জামায়াতের প্রার্থী পুলিশ প্রটেকশন নিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়ের নামে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিষয়টি তখন রিটার্নিং কর্মকর্তার নজরে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল। তারা জানান, আবেদন করেই তিনি পুলিশ প্রটেকশন নিয়েছেন। তবে গত ২৩ জানুয়ারি থেকে হঠাৎ করে প্রত্যেক প্রার্থীকে দুইজন করে পুলিশ দেওয়া হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

পুলিশের বাইকে চড়ে জামায়াত প্রার্থী ফয়জুল হকের নির্বাচনী প্রচারণা

আপডেট সময় ০৩:৪১:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

গ্রামের উঠানে পাতা প্লাস্টিকের চেয়ারে বসে কথা বলছেন ঝালকাঠী-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ফয়জুল হক। তার চারপাশ ঘীরে কয়েকজন সমর্থক। দৃশ্যটি গ্রামবাংলার নির্বাচনী প্রচারে নতুন নয়। কিন্তু একটু চোখ ফেরালেই ভিন্ন চিত্র। উঠানের এক পাশে, কখনো আবার প্রার্থীর ঠিক পেছনেই দাঁড়িয়ে আছেন ইউনিফর্ম পরা পুলিশ সদস্যরা। কিছু কর্মসূচিতে পুলিশ সদস্যরা শুধু দূরে দাঁড়িয়ে নজরদারি করছেন না, প্রার্থীর একেবারে কাছাকাছি অবস্থান করছেন। তফসিল ঘোষণার পর বিএনপি থেকে পদত্যাগ করে জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন পান ফয়জুল।

উঠান বৈঠক শেষে একাধিকবার ফয়জুল হককে পুলিশের মোটরসাইকেলের পেছনে বসে সভাস্থল ত্যাগ করতে দেখা গেছে। এসব দৃশ্য গত ১৯ জানুয়ারি সন্ধ্য ৭টা ৫৭ মিনিটে রাজাপুরের মঠবাড়ী ইউনিয়নের বাদুরতলা বাজারে ধারণ করা। ছবি দেখে বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনী মাঠে কোনো প্রার্থীর জন্য রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বিশেষ ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

নির্বাচনী প্রচারের এই ছবি শুধু একটি রাজনৈতিক কর্মসূচির নয়, এখানে রাষ্ট্রের উপস্থিতিও দৃশ্যমান, যার প্রভাব পড়তে পারে যেটা ভোটে। ঝালকাঠী-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল বলেন, জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণার পর তিনি (জামায়াত প্রার্থী) পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হয়েছেন।

সেই সময়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ঘটনার পরও তফসিল ঘোষণার দিন থেকে জামায়াতের প্রার্থী পুলিশ প্রটেকশন নিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময়ের নামে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিষয়টি তখন রিটার্নিং কর্মকর্তার নজরে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল। তারা জানান, আবেদন করেই তিনি পুলিশ প্রটেকশন নিয়েছেন। তবে গত ২৩ জানুয়ারি থেকে হঠাৎ করে প্রত্যেক প্রার্থীকে দুইজন করে পুলিশ দেওয়া হয়েছে।