ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে ক্রমাগত মিথ্যাচার নাসীরুদ্দীনের ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:৫৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫২৮ বার পড়া হয়েছে

এবার বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, ঢাকা-৮ আসনের এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচনি প্রচারণার বিধিসম্মত সময়ের অনেক আগেই ভোট চাইতে শুরু করেছিলেন। তার কথাবার্তা ও আচরণে যে ঔদ্ধত্য এবং প্রচারে থাকার জন্য যে মুখরোচক বক্তব্য, তা সবার নজরে পড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে মাহদী আমিন এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘দেশি-বিদেশি মানুষের সামনে বিএনপির বিরুদ্ধে বিষোদ্‌গার, কখনো ভোটারের সঙ্গেই আক্রমণাত্মক আচরণ, আবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে ক্রমাগত মিথ্যাচার, এসবই হয়তো ভাইরাল হওয়ার কৌশল!

মাহদী আমিন বলেন, বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে নিয়ে অবিরত অশালীন আচরণ করা সত্ত্বেও, তিনি যথেষ্ট ধৈর্যশীলতার পরিচয় দিয়েছেন এবং ইতিবাচকভাবেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দুঃখজনক বিষয় হলো, আজ পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করা হয়েছে, যেমনটি এর আগেও ঘটেছিল বলে আমরা দেখেছি। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, ঘটনা ঘটার কিছুক্ষণের মধ্যেই কোনো ধরনের প্রমাণ, তদন্ত বা সাক্ষ্য ছাড়াই, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম দাবি করে বসেন যে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সমর্থনে এবং মির্জা আব্বাসের নির্দেশে ছাত্রদল ডিম মেরেছে।

তিনি আরও বলেন, যেই হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে ঘটনাটি ঘটেছে, সেই কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তাকে (নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী) সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, এমনকি ঢুকতেও সাধারণ শিক্ষার্থীরা বাধা দিয়েছিলো। দাওয়াত না থাকা সত্ত্বেও তিনি কেন এতো বহিরাগত লোক নিয়ে প্রবেশ করলেন, যাওয়ারই কথা না অথচ তার জন্য কারা ডিম রেডি রাখলো বা মারামারি করলো, এবং এই ঘটনার সঙ্গে তারেক রহমান, মির্জা আব্বাস বা ছাত্রদলের সম্পর্কই বা কী, সেটি বিরাট রহস্য।

বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র বলেন, কোনো তথ্য ছাড়াই সরাসরি যেকোনো ঘটনায় তারেক রহমানের নাম জড়িয়ে দেওয়া ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতিরই প্রতিফলন। ফ্যাসিবাদী আমলে শেখ হাসিনা ও অন্যরা নিয়মিত এ ধরনের আচরণ করত এবং শেষ পর্যন্ত তারা কীভাবে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে জনরোষের শিকার হয়েছে, এটি অজানা নয়। নির্বাচন যেন অযৌক্তিক নাটকীয়তার মঞ্চে পরিণত না হয়, সে ব্যাপারে সবার সচেতন থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র।

জনপ্রিয় সংবাদ

এবার তারেক রহমানের আসনে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে নারীদের বড় শোডাউন

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে ক্রমাগত মিথ্যাচার নাসীরুদ্দীনের ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন

আপডেট সময় ১০:৫৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

এবার বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, ঢাকা-৮ আসনের এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচনি প্রচারণার বিধিসম্মত সময়ের অনেক আগেই ভোট চাইতে শুরু করেছিলেন। তার কথাবার্তা ও আচরণে যে ঔদ্ধত্য এবং প্রচারে থাকার জন্য যে মুখরোচক বক্তব্য, তা সবার নজরে পড়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে মাহদী আমিন এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘দেশি-বিদেশি মানুষের সামনে বিএনপির বিরুদ্ধে বিষোদ্‌গার, কখনো ভোটারের সঙ্গেই আক্রমণাত্মক আচরণ, আবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে ক্রমাগত মিথ্যাচার, এসবই হয়তো ভাইরাল হওয়ার কৌশল!

মাহদী আমিন বলেন, বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাসকে নিয়ে অবিরত অশালীন আচরণ করা সত্ত্বেও, তিনি যথেষ্ট ধৈর্যশীলতার পরিচয় দিয়েছেন এবং ইতিবাচকভাবেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দুঃখজনক বিষয় হলো, আজ পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করা হয়েছে, যেমনটি এর আগেও ঘটেছিল বলে আমরা দেখেছি। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, ঘটনা ঘটার কিছুক্ষণের মধ্যেই কোনো ধরনের প্রমাণ, তদন্ত বা সাক্ষ্য ছাড়াই, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম দাবি করে বসেন যে, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সমর্থনে এবং মির্জা আব্বাসের নির্দেশে ছাত্রদল ডিম মেরেছে।

তিনি আরও বলেন, যেই হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে ঘটনাটি ঘটেছে, সেই কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে তাকে (নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী) সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, এমনকি ঢুকতেও সাধারণ শিক্ষার্থীরা বাধা দিয়েছিলো। দাওয়াত না থাকা সত্ত্বেও তিনি কেন এতো বহিরাগত লোক নিয়ে প্রবেশ করলেন, যাওয়ারই কথা না অথচ তার জন্য কারা ডিম রেডি রাখলো বা মারামারি করলো, এবং এই ঘটনার সঙ্গে তারেক রহমান, মির্জা আব্বাস বা ছাত্রদলের সম্পর্কই বা কী, সেটি বিরাট রহস্য।

বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র বলেন, কোনো তথ্য ছাড়াই সরাসরি যেকোনো ঘটনায় তারেক রহমানের নাম জড়িয়ে দেওয়া ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতিরই প্রতিফলন। ফ্যাসিবাদী আমলে শেখ হাসিনা ও অন্যরা নিয়মিত এ ধরনের আচরণ করত এবং শেষ পর্যন্ত তারা কীভাবে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে জনরোষের শিকার হয়েছে, এটি অজানা নয়। নির্বাচন যেন অযৌক্তিক নাটকীয়তার মঞ্চে পরিণত না হয়, সে ব্যাপারে সবার সচেতন থাকা উচিত বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র।