ঢাকা-১৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের শীর্ষ নেতা আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যেকোনো ধরনের কারচুপি বা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ রুখতে ছাত্র জনতাকে রাজপথে অতন্দ্র প্রহরীর মতো প্রস্তুত থাকতে হবে। ভোট দিয়ে ঘরে ফিরে গেলে চলবে না, বরং ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত কেন্দ্র ও রাজপথের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে হবে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর শিয়া মসজিদ থেকে শ্যামলী এলাকায় ঢাকা-১৩ আসন ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত এক ‘নির্বাচনী স্বাগত মিছিল’ পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আল্লামা মামুনুল হক বলেন, ঢাকা-১৩ আসনের জনগণ ১২ তারিখে ‘রিকশা’ প্রতীকের পক্ষে ব্যালট বিপ্লবের জন্য প্রস্তুত হয়ে আছে। তবে ষড়যন্ত্রকারীরা বসে নেই। ছাত্রশিবির, ছাত্র মজলিস ও ছাত্র শক্তিসহ সকল ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি আমার আহ্বান—১২ তারিখ ভোটের ফল নিয়ে যেকোনো কারচুপি ও ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিহত করতে আপনাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।
সন্ত্রাসবাদের রাজনীতির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি আরও বলেন, যারা এখনো পেশিশক্তির ভয় দেখান, তারা ‘২৪-এর বিপ্লব থেকে শিক্ষা নিন। এ দেশের মানুষ যখন রক্ত দিতে শিখেছে, তখন সন্ত্রাসবাদের রাজনীতিকে তারা নির্মূল করেই ক্ষান্ত হবে ইনশাআল্লাহ।
সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর পশ্চিমের সেক্রেটারি জেনারেল মুহিব্বুল্লাহ বলেন, “দীর্ঘ সাড়ে ১৫ বছর পর দেশের মানুষ ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে। ঢাকা-১৩ আসনের ভোটাররা ভাগ্যবান যে তারা আল্লামা মামুনুল হকের মতো এ দেশের তাওহিদী জনতার নয়নমণি ও তারুণ্যের আইকনকে প্রার্থী হিসেবে পেয়েছেন।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমালোচনা করে মুহিব্ববুল্লাহ বলেন, আরেকজন প্রার্থী রয়েছেন যিনি নির্বাচনে এসে নিজের দল ও মার্কাকে ভুলে গেছেন। যিনি নিজের দল ও মার্কা ভুলে গেছেন , তিনি বিজয়ী হলে এলাকার জনগণকে ভুলে যাবেন না—তার কোনো গ্যারান্টি নেই।
ঢাকা-১৩ আসন ছাত্রশিবিরের এই মিছিলে মোহাম্মদপুর, আদাবর ও শেরেবাংলা নগর থানার বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ ছাত্র জনতা অংশগ্রহণ করেন।


















