এবার সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির মো. ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় জামায়াতের আমির বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে ৫৪ বছরের বঞ্চনার অবসান ঘটানো হবে। দুর্নীতির মাধ্যমে দেশের মানুষকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তার মূলোৎপাটন করা হবে। দেশের টাকা ও সম্পদ পাচারকারীদের শান্তিতে ঘুমাতে দেওয়া হবে না। পাচারকৃত টাকা ফেরত এনে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। তিনি সিলেট অঞ্চলের উন্নয়ন প্রসঙ্গে বলেন, ‘সিলেট দেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী। কিন্তু আমরা সবদিক থেকেই বঞ্চিত। এই বঞ্চনার যাতে অবসান হয় আমরা সেই পদক্ষেপ নেব।
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি নামে আন্তর্জাতিক হলেও এখানে সব ধরনের বিমান ওঠানামা করতে পারে না। আমরা এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর করব। ম্যানচেষ্টার ফ্লাইট এতদিন চালু থাকলেও সরকার সেটি বন্ধ করে দিয়েছে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ম্যানচেষ্টার ফ্লাইট চালুর পাশাপাশি আরও নতুন নতুন রুট চালু করা হবে।’
সিলেট জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি জয়নাল আবেদিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত এই জনসভায় জামাতের আমির বলেন, প্রবাসীদের রেমিট্যান্স যোদ্ধা বলা হলেও কেউ মারা গেলে তাঁর লাশ দেশে ফেরানো নিয়ে শুরু হয় ঠেলাঠেলি। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে, সসম্মানে প্রবাসীদের লাশ রাষ্ট্রীয় খরচে দেশে ফেরানো হবে। এমনকি কোনো প্রবাসী আয়রোজগারের আগে মৃত্যুবরণ করলে তাঁর পরিবারের দায়িত্ব নেবে সরকার। সভার শেষে জামায়াতের আমির সিলেটের ছয়টি আসনে ১১–দলীয় জোটের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা ও মহানগর জামায়াত এবং ১১–দলীয় জোটের নেতারা।




















