ঢাকা ১২:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভোটারকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস, জামায়াত প্রার্থীকে সতর্কবার্তা ইসির 

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৫৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৫ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় লক্ষ্মীপুর৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল করিমকে (দাঁড়িপাল্লা) সতর্ক করা হয়েছে। পুনরায় আচরণ বিধি লঙ্ঘন করলে প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে বলেও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের উপসচিব (আইন) মোহাম্মদ দিদার হোসাইন স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

৬ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে জানা যায়, নির্ধারিত সময়ের আগে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো এবং ভোটারকে নগদ অর্থ প্রদানসহ ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাসে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ার সত্যতা পাওয়ায় রেজাউলকে কঠোরভাবে সর্তকবার্তা দেয় ইসি। রেজাউল ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ৯ জানুয়ারি লক্ষ্মীপুর৩ সংসদীয় আসনের ৮নং ওয়ার্ডের একাডেমি রোড এলাকায় মাহফুজা খাতুন (৮৫) নামে এক নারীকে নগদ অর্থ প্রদান এবং ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জামায়াতের প্রার্থী রেজাউলদাঁড়িপাল্লাপ্রতীকে ভোট চান। এই ঘটনায় একই আসনের বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়ক ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি সংশ্লিষ্টইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড এডজুডিকেশন কমিটির কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। পরবর্তীতে তদন্ত কমিটি অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায় এবং ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেয়। কমিশন জানায়, . রেজাউলের এই কর্মকাণ্ডসংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর ৪() ও ১৮ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

এদিকে সতর্কবার্তায় ইসি স্পষ্ট জানিয়েছে, ভবিষ্যতে পুনরায় আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২এর ৯১ক (৬গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রার্থীর ওপর জরিমানা আরোপ এমনকি তার প্রার্থিতা বাতিল করা হতে পারে। এ ব্যাপারে জানতে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এসএম মেহেদী হাসান এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমাকে গণমাধ্যম থেকে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

জনপ্রিয় সংবাদ

খামারিদের বাড়িতে বাড়িতে রক্তমাখা চিঠি: ডাকাতি করতে আসবো, দরজা না খুললে ‘জিন্দা খালাস’

ভোটারকে ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস, জামায়াত প্রার্থীকে সতর্কবার্তা ইসির 

আপডেট সময় ১১:৫৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় লক্ষ্মীপুর৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী রেজাউল করিমকে (দাঁড়িপাল্লা) সতর্ক করা হয়েছে। পুনরায় আচরণ বিধি লঙ্ঘন করলে প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে বলেও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের উপসচিব (আইন) মোহাম্মদ দিদার হোসাইন স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

৬ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে জানা যায়, নির্ধারিত সময়ের আগে নির্বাচনী প্রচারণা চালানো এবং ভোটারকে নগদ অর্থ প্রদানসহ ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাসে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাওয়ার সত্যতা পাওয়ায় রেজাউলকে কঠোরভাবে সর্তকবার্তা দেয় ইসি। রেজাউল ঢাকা মহানগরী উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের বাসিন্দা।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ৯ জানুয়ারি লক্ষ্মীপুর৩ সংসদীয় আসনের ৮নং ওয়ার্ডের একাডেমি রোড এলাকায় মাহফুজা খাতুন (৮৫) নামে এক নারীকে নগদ অর্থ প্রদান এবং ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে জামায়াতের প্রার্থী রেজাউলদাঁড়িপাল্লাপ্রতীকে ভোট চান। এই ঘটনায় একই আসনের বিএনপি প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়ক ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপি সংশ্লিষ্টইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড এডজুডিকেশন কমিটির কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। পরবর্তীতে তদন্ত কমিটি অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পায় এবং ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেয়। কমিশন জানায়, . রেজাউলের এই কর্মকাণ্ডসংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর ৪() ও ১৮ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

এদিকে সতর্কবার্তায় ইসি স্পষ্ট জানিয়েছে, ভবিষ্যতে পুনরায় আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২এর ৯১ক (৬গ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রার্থীর ওপর জরিমানা আরোপ এমনকি তার প্রার্থিতা বাতিল করা হতে পারে। এ ব্যাপারে জানতে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা এসএম মেহেদী হাসান এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমাকে গণমাধ্যম থেকে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।