এবার কিশোরগঞ্জ–৪ (ইটনা–মিঠামইন–অষ্টগ্রাম) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সিনিয়র আইনজীবী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন অত্যন্ত কঠিন। তিনি বলেন, বিরোধী দলের ভোট দেখতে পাচ্ছেন না, মানুষ দেখতে পাচ্ছেন না। কিন্তু আমাদের শয়তানের সঙ্গে ভোট হচ্ছে, ভুতের সঙ্গে ভোট হচ্ছে। শয়তানকে কিন্তু দেখা যায় না, ভুতকেও দেখা যায় না।
সম্প্রতি এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি একথা বলেন। ফজলুর রহমান বলেন, এদের কাজ হল এরা বোরকা পরা দশজন মেয়েকে ছাড়বে। তারা সকালে নিজের একটা ভোট দেবে, আর বোরকার নিচে করে পাঁচটা ভোট বানিয়ে নিয়ে যাবে। সেটা বাক্সে ঢুকিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে।
তিনি বলেন, আমি মনে করি ইসলামের নামের দেশের সবচেয়ে বড় ধর্ম ব্যবসায়ী দল জামায়াত। জামায়াত প্রকৃত ধর্ম মানে না, প্রকৃত গণতন্ত্র মানে না, জামাত একটা মুনাফেক দল। তারা মুক্তিযুদ্ধের সময় এই দেশের ৩০ লক্ষ লোককে হত্যা করেছিল, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তার এক নম্বর গাইড ছিল জামায়াত। দুই লক্ষ মা বোনের ইজ্জত ধ্বংস করেছিল।
ফজলুর রহমান আরো বলেন, চার পাঁচ দিন আগে জামায়াতের আমির বলেছে—যেসব মেয়েরা কর্মজীবী; যারা ডাক্তারি করে, যারা মাস্টারি করে, যারা বিচারক, যারা অন্য চাকরি করে, যারা গার্মেন্টসের চাকরি করে, যারা কেরানিগিরি করে, যেসব মেয়েরা মাদ্রাসায় চাকরি করে, তারা সবাই নাকি তাদের (জামায়াত) দৃষ্টিতে বেশ্যা। এই কথাটা বলেছে কে? জামাতের আমির শফিকুর রহমান, ছোট কোন মানুষ না। আমি মেয়েদেরকে বলবো ১২ তারিখের পরে ও যেখানে আসে, জুতা মিছিল করবেন।




















