ঢাকা ০৪:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কিছু সরকারি কর্মকর্তা ভোট কারচুপি করে একটি পক্ষকে জেতাতে চেষ্টা করছে: জামায়াত আমির

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৩:১৩:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫০৩ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে কিছু সরকারি কর্মকর্তা ভোট কারচুপি করে একটি পক্ষকে জেতাতে চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় এমন অভিযোগ করেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, ভোট কারচুপির উদ্দেশ্যেই ভোটকেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল ব্যবহার বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আজকের মধ্যে এই বিধি বাতিল না করলে কালকেই জড়িত এসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে জামায়াতসহ ১১ দল। স্বৈরাচারের এসব দোসর অতীতে ক্ষমা পেলেও এবার পার পাবে না।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচনে ভরাডুবির হতাশা থেকেই চোরাই পথে ক্ষমতায় আসার পাঁয়তারা চলছে। জনগণকে সতর্ক পাহারাদারের ভূমিকা পালন করতে হবে। এ সময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করে দেশসেবার সুযোগ পেলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হককে মন্ত্রী করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এদিকে সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল না নিয়ে যাওয়ার বিধি পরিবর্তন না করলে নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা১১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। দুপুরে একই নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্যকালে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের আওতায় নাকি মোবাইল নিয়ে ঢুকা যাবে না। ইসি কোন জায়গা থেকে এই বিধিবিধান বের করছে আমরা জানি না। কার পরিকল্পনার আদলে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে এটা জনগণের সামনে স্পষ্ট হচ্ছে। আমরা হুঁশিয়ারি দিচ্ছি আজ সন্ধ্যার মধ্যে এই বিধিবিধান পরিবর্তন করুন, নাহলে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ঘেরাও হবে।

ঢাকা১১ আসনের এই প্রার্থী বলেন, আমরা এতদিন কিছু বলিনি। সব সহ্য করে গেছি। নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে এসে এই ধরনের ভোট কারচুপি, মিডিয়াকে ব্ল্যাকআউট করে দেয়া হবে, মানুষের তথ্য অধিকারকে রোধ করে দেয়া হবে এই ধরনের কোনো আইন করা হলে সেই আইন মেনে নেয়া হবে না। নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, এতদিন যা করেছেন করেছেন, কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারি যদি কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করার পরিকল্পনা থাকে, ফ্যাস্টিস্ট আমলের নির্বাচন কমিশনের যে পরিণতি হয়েছিল তার চেয়েও এই নির্বাচন কমিশনের ভয়াবহ পরিণতি হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই প্রজন্ম বেঁচে থাকতে আর কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং মেনে নেওয়া হবে না: ভিপি সাদিক কায়েম

কিছু সরকারি কর্মকর্তা ভোট কারচুপি করে একটি পক্ষকে জেতাতে চেষ্টা করছে: জামায়াত আমির

আপডেট সময় ০৩:১৩:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে কিছু সরকারি কর্মকর্তা ভোট কারচুপি করে একটি পক্ষকে জেতাতে চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় এমন অভিযোগ করেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, ভোট কারচুপির উদ্দেশ্যেই ভোটকেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল ব্যবহার বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আজকের মধ্যে এই বিধি বাতিল না করলে কালকেই জড়িত এসব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে জামায়াতসহ ১১ দল। স্বৈরাচারের এসব দোসর অতীতে ক্ষমা পেলেও এবার পার পাবে না।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচনে ভরাডুবির হতাশা থেকেই চোরাই পথে ক্ষমতায় আসার পাঁয়তারা চলছে। জনগণকে সতর্ক পাহারাদারের ভূমিকা পালন করতে হবে। এ সময় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোট সরকার গঠন করে দেশসেবার সুযোগ পেলে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হককে মন্ত্রী করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এদিকে সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল না নিয়ে যাওয়ার বিধি পরিবর্তন না করলে নির্বাচন কমিশন ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা১১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। দুপুরে একই নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্যকালে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্বাচন কমিশন একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছে ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের আওতায় নাকি মোবাইল নিয়ে ঢুকা যাবে না। ইসি কোন জায়গা থেকে এই বিধিবিধান বের করছে আমরা জানি না। কার পরিকল্পনার আদলে নির্বাচন কমিশন কাজ করছে এটা জনগণের সামনে স্পষ্ট হচ্ছে। আমরা হুঁশিয়ারি দিচ্ছি আজ সন্ধ্যার মধ্যে এই বিধিবিধান পরিবর্তন করুন, নাহলে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন ঘেরাও হবে।

ঢাকা১১ আসনের এই প্রার্থী বলেন, আমরা এতদিন কিছু বলিনি। সব সহ্য করে গেছি। নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে এসে এই ধরনের ভোট কারচুপি, মিডিয়াকে ব্ল্যাকআউট করে দেয়া হবে, মানুষের তথ্য অধিকারকে রোধ করে দেয়া হবে এই ধরনের কোনো আইন করা হলে সেই আইন মেনে নেয়া হবে না। নির্বাচন কমিশনকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, এতদিন যা করেছেন করেছেন, কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারি যদি কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করার পরিকল্পনা থাকে, ফ্যাস্টিস্ট আমলের নির্বাচন কমিশনের যে পরিণতি হয়েছিল তার চেয়েও এই নির্বাচন কমিশনের ভয়াবহ পরিণতি হবে।