আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এতে জয়ী হয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য ক্ষমতায় গেলে দ্বীপ হাতিয়াকে নতুন আধুনিক জেলায় রূপান্তর করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন নোয়াখালী–৬ আসনে জোটের প্রার্থী আবদুল হান্নান মাসউদ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) হাতিয়া সদরের ওছখালী কেএসএস সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে শাপলা কলি প্রতীকের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হান্নান মাসউদ জানান, নির্বাচিত হলে হাতিয়াকে জেলা করা হবে। হাতিয়ার উত্তর ও দক্ষিণে কয়েকটি ইউনিয়ন নিয়ে দুটি উপজেলা করা হবে। প্রতিশোধ না নিয়ে সবাইকে নিয়ে আধুনিক হাতিয়া গড়ে তোলা হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের রাজনীতি হলো হাতিয়াকে গোলামির রাজনীতি থেকে মুক্ত করা। হাটে–ঘাটে দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়া হবে। কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না। রাজনীতি করতে হলে সবাইকে জবাবদিহির মধ্যে আসতে হবে।
নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করে হাতিয়াবাসীর উদ্দেশে হান্নান মাসউদ বলেন, ‘এ ইশতেহার সিএনজি শ্রমিকের, এটা ঘাট শ্রমিকের, এটা সাধারণ জনতার। এখানে সব শ্রেণি–পেশার মানুষের অধিকারের কথা বলা হয়েছে। আমি নির্বাচিত হলে এগুলো অক্ষরে–অক্ষরে পালন করবো।’ নির্বাচনি জনসমাবেশ উপলক্ষে হাতিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সভাস্থলে আসেন। জনসভায় এনসিপির এ প্রার্থী তার ইশতেহারে নদীভাঙন রোধ, বেড়িবাঁধ নির্মাণ, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, পর্যটন ও নদীবন্দর স্থাপনের অঙ্গীকার তুলে ধরেন।
উপজেলা জামায়াতের আমির বোরহান উদ্দিনের সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য দেন জামায়াতের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা শাহ মাহফুজুল হক, পৌর জামায়াতের নেতা সাব্বির আহম্মেদ তাফসির, এলডিপির প্রার্থী মোহাম্মদ আবুল হোসেন বাবুল, এনসিপির উপজেলা সভাপতি শামছুল তিব্রীজ, পৌরসভা সভাপতি মহিবুর রহমান, উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আব্দুল ওহাব বাবুল, ছাত্রশক্তির সভাপতি নেয়ামত উল্যাহ নীরব প্রমুখ।



















