কয়েকদিন ধরে লাইফ সাপোর্টে থাকা ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা তানিন সুবহার মৃত্যুর গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তবে এখনো তার মৃত্যুর বিষয়ে চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি।
চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি জানিয়েছেন, তানিন বর্তমানে ‘ক্লিনিকালি ডেড’। যে কোনো মুহূর্তে পরিবারের অনুমতি সাপেক্ষে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হতে পারে।
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জয় চৌধুরী জানান, “তানিনের শারীরিক অবস্থার ক্রমশ অবনতি হচ্ছিল। আজ সন্ধ্যায় লাইফ সাপোর্ট খুলে নেওয়ার আগেই ডাক্তাররা আন-অফিসিয়ালি তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন। তবে অফিসিয়ালি কিছু বলেননি এখনও।”
এদিকে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজল বলেন, “তানিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পরিবার ও চিকিৎসকদের আলোচনার ভিত্তিতে যে কোনো সময় লাইফ সাপোর্ট খুলে নেওয়া হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ঘোষণা না আসায় সবাইকে গুজব বা ভুল তথ্য থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করছি।”
তানিন সুবহা গত ২ জুন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে আফতাব নগরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে বাসায় ফেরার পর সোমবার রাতে হঠাৎ বুকে ব্যথা ও বমি হওয়ায় তাকে ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। কয়েকদিন ধরেই তার অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি, বরং অবনতি ঘটেছে।
২০১২ সালে ক্লোজআপ ওয়ানের অডিশনের মাধ্যমে মিডিয়ায় পথচলা শুরু করেন তানিন। শুরুতে গানের মাধ্যমে যাত্রা করলেও পরে অভিনয়ে মনোনিবেশ করেন। নাটকে মোশাররফ করিমের বিপরীতে ‘যমজ’ দিয়ে ছোট পর্দায় আত্মপ্রকাশের পর বড় পর্দায় ‘মাটির পরী’ সিনেমার মাধ্যমে নিজের অবস্থান তৈরি করেন।
তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ভালো থেকো’, ‘তুই আমার’, ‘দেমাগ’, ‘বেগমজান’, ‘বীর বাঙালি’ ও ‘রাজা রানির গল্প’। বর্তমানে মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার অভিনীত ‘বীর মাতা’, ‘দুই রাজকন্যা’ ও ‘প্রেমের বাঁধন’ সিনেমাগুলো।


























