ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক প্লেট চটপটি, পেটে ঢুকছে ৭ কোটি মলমূত্রের জীবাণু!: গবেষণা

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৩:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২০ বার পড়া হয়েছে

গরমে হাঁপিয়ে উঠলে রাস্তার ধারের চটপটি, ফুচকা বা শরবত অনেকেরই প্রিয় ভরসা। কিন্তু এই মুখরোচক খাবারের আড়ালেই লুকিয়ে আছে ভয়ংকর স্বাস্থ্যঝুঁকি। এমনটাই বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা। গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র এক প্লেট চটপটিতেই থাকতে পারে ৭ কোটির বেশি মলমূত্রজাত জীবাণু। যা মানবদেহে ঢুকলে ডায়রিয়া থেকে শুরু করে পেটের নানা জটিল রোগের কারণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীর বেশিরভাগ রাস্তার খাবারই স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ। ফুটপাতের দোকানগুলোতে পরিষ্কারপরিচ্ছন্নতার অভাব, ময়লা পানিতে প্লেট ধোয়া, খোলা খাবারে ধুলাধোঁয়া লাগা। সব মিলিয়ে খাবারগুলো হয়ে উঠছে জীবাণুর বড় উৎস। অনেক বিক্রেতা একই তেল বারবার ব্যবহার করেন। যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর চর্বিতে পরিণত হয়। আবার শরবত বা আখের রসে যে বরফ ব্যবহার করা হয়, তার বড় অংশই আসে অস্বাস্থ্যকর উৎস থেকে।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক পরীক্ষায় রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগ্রহ করা খাবারে মলমূত্রজাত জীবাণুসহ আরও ক্ষতিকর জীবাণুর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চটপটিতেই জীবাণুর মাত্রা সবচেয়ে বেশি। গবেষকরা জানান, শহরের পানির লাইনের সঙ্গে পয়ঃনিষ্কাশনের লাইন অনেক জায়গায় মিশে যাওয়ায় পানি পুরোপুরি নিরাপদ থাকে না। সেই পানি দিয়েই প্লেট ধোয়া বা খাবার তৈরি করা হচ্ছে। যা ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্বাস্থ্যকর এই খাবার এখন নীরব ঘাতকে পরিণত হয়েছে। নিয়মিত তদারকি ও কঠোর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে বড় স্বাস্থ্য সংকট দেখা দিতে পারে। তাই সচেতনতা বাড়ানো এবং নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাড্ডায় বাসা থেকে ঢাবি ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, চিরকুটে লেখা শিক্ষকের নাম

এক প্লেট চটপটি, পেটে ঢুকছে ৭ কোটি মলমূত্রের জীবাণু!: গবেষণা

আপডেট সময় ০৩:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

গরমে হাঁপিয়ে উঠলে রাস্তার ধারের চটপটি, ফুচকা বা শরবত অনেকেরই প্রিয় ভরসা। কিন্তু এই মুখরোচক খাবারের আড়ালেই লুকিয়ে আছে ভয়ংকর স্বাস্থ্যঝুঁকি। এমনটাই বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা। গবেষণায় দেখা গেছে, মাত্র এক প্লেট চটপটিতেই থাকতে পারে ৭ কোটির বেশি মলমূত্রজাত জীবাণু। যা মানবদেহে ঢুকলে ডায়রিয়া থেকে শুরু করে পেটের নানা জটিল রোগের কারণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীর বেশিরভাগ রাস্তার খাবারই স্বাস্থ্যঝুঁকিপূর্ণ। ফুটপাতের দোকানগুলোতে পরিষ্কারপরিচ্ছন্নতার অভাব, ময়লা পানিতে প্লেট ধোয়া, খোলা খাবারে ধুলাধোঁয়া লাগা। সব মিলিয়ে খাবারগুলো হয়ে উঠছে জীবাণুর বড় উৎস। অনেক বিক্রেতা একই তেল বারবার ব্যবহার করেন। যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর চর্বিতে পরিণত হয়। আবার শরবত বা আখের রসে যে বরফ ব্যবহার করা হয়, তার বড় অংশই আসে অস্বাস্থ্যকর উৎস থেকে।

নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক পরীক্ষায় রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগ্রহ করা খাবারে মলমূত্রজাত জীবাণুসহ আরও ক্ষতিকর জীবাণুর উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে চটপটিতেই জীবাণুর মাত্রা সবচেয়ে বেশি। গবেষকরা জানান, শহরের পানির লাইনের সঙ্গে পয়ঃনিষ্কাশনের লাইন অনেক জায়গায় মিশে যাওয়ায় পানি পুরোপুরি নিরাপদ থাকে না। সেই পানি দিয়েই প্লেট ধোয়া বা খাবার তৈরি করা হচ্ছে। যা ঝুঁকি আরও বাড়াচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্বাস্থ্যকর এই খাবার এখন নীরব ঘাতকে পরিণত হয়েছে। নিয়মিত তদারকি ও কঠোর ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে বড় স্বাস্থ্য সংকট দেখা দিতে পারে। তাই সচেতনতা বাড়ানো এবং নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।