ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এ প্রজন্মের যারা লীগের বিরুদ্ধে লড়েছেন আসল বিপদ তাদের: মাহফুজ আলম 

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৪৫:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • ৫৩৬ বার পড়া হয়েছে

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, লীগ প্রশ্নে এখন যা চলছে, তা হচ্ছে দুই বড় দলের ইনসিকুরিটি। লীগের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এ প্রজন্মের যারা লড়াই করেছে তাদেরই আসল বিপদ। সোমবার (১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন। পোস্টে মাহফুজ আলম লেখেছেন, ‌লীগ প্রশ্নে এখন যা চলছে, তা হচ্ছে দুই বড় দলের ইনসিকুরিটি। কৌন বনেগা লীগকা বাপ? ‘৮৬ আর৯৬ এর স্মৃতি বিএনপি ভুলতে পারছে না আর জামায়াত আছে আদর্শিক শত্রুতা/সহিংসতার ভয়ে, যা বিএনপিলীগের৯০ দশকের যৌথ আক্রমণের স্মৃতি থেকে উৎসারিত। স্মৃতি ভয়ের উৎস বটে!

তিনি লেখেন, আগামীতে বিএনপি (আল্লাহ না করুক) ক্ষমতায় থেকেবহুদলীয় গণতন্ত্রকরে নিবে আর জামায়াত চুপ মেরে গুপ্ত হয়ে যাবে। আসল বিপদ এ প্রজন্মের যারা লীগের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়েছেন, তাদের। সে বিপদ আরো ত্বরান্বিত হয়েছে জামায়াত জোটে যাওয়ায়। নগদ যা লাভ হয়েছিল, সেটাকেও বড় করার কোন চিহ্ন দেখা গেল না। মাহফুজ আলম লেখেন, দুঃখজনক হলো, এ প্রজন্ম ব্যস্ত নিজেদের হাতের তালুর চেয়ে ছোট রুটি ভাগাভাগিতে। রুটিটা বড় করেন। আপনাদের তাকদ আছে এ জাতিকে, গ্লোবাল সাউথকে লিড দেয়ার। সেইটা করেন। যার যার পার্টি, দোকান, ফেরকা, তরিকা থেকে সংগঠিত হোন। প্রতিষ্ঠান গড়ুন। স্বচ্ছল হোন। রাজনীতিতে নয় শুধু, সমাজেও প্রভাব তৈরি করুন। দীর্ঘমেয়াদি লড়াই ও সংহতির পাটাতন গড়ে তুলুন।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক এই নেতা আরও লেখেন, বড়দের আস্কারাউস্কানিতে অনেক শক্তিক্ষয় হয়েছে। বড়রা হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে এ প্রজন্মকে। সাথে ছোটদের কোরাম আর মতাদর্শ ভিত্তিক একপাক্ষিক বয়ান ও সক্রিয় ছিল, আছে। এভাবেই খেয়ে ফেলা হয় তরুণদের। সেটা৭০ এর দশকে, ‘৯০ এর দশকেও ঘটেছে।

তিনি আরও লেখেন, লড়াইটা প্রজন্মের। আগের প্রজন্ম আপনাদের বাঁচাবেনা। সিম্পল কথা। এটা খেয়াল রেখে কৌশল নির্ধারণ করুন। যার যার ইমাম, খতিব, ফেরকা, তরিকা বানান, সমস্যা নাই। নিজেদের মধ্যে ব্যক্তি আক্রমণ আর বিদ্বেষচর্চা বন্ধ করেন। মতাদর্শের তর্ক তো হবেই,হোক। কিন্তু, কেবলা রাখেন জুলাই আর এন্টিফ্যাসিজম। সবশেষ তিনি লেখেন, পুনশ্চঃ আমরা ফ্যাসিস্ট লীগ তাড়াইছি নিশ্চিত মৃত্যু জেনে। সেই সাহসের সাথে এখন সাংগঠনিক শক্তি আর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা যুক্ত করেন। ফ্যাসিবাদ কোন ফর্মেই আর ফিরতে পারবে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের পর নেপালেও নিষিদ্ধ ভারতের আম

এ প্রজন্মের যারা লীগের বিরুদ্ধে লড়েছেন আসল বিপদ তাদের: মাহফুজ আলম 

আপডেট সময় ১১:৪৫:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

এবার অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, লীগ প্রশ্নে এখন যা চলছে, তা হচ্ছে দুই বড় দলের ইনসিকুরিটি। লীগের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এ প্রজন্মের যারা লড়াই করেছে তাদেরই আসল বিপদ। সোমবার (১ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন। পোস্টে মাহফুজ আলম লেখেছেন, ‌লীগ প্রশ্নে এখন যা চলছে, তা হচ্ছে দুই বড় দলের ইনসিকুরিটি। কৌন বনেগা লীগকা বাপ? ‘৮৬ আর৯৬ এর স্মৃতি বিএনপি ভুলতে পারছে না আর জামায়াত আছে আদর্শিক শত্রুতা/সহিংসতার ভয়ে, যা বিএনপিলীগের৯০ দশকের যৌথ আক্রমণের স্মৃতি থেকে উৎসারিত। স্মৃতি ভয়ের উৎস বটে!

তিনি লেখেন, আগামীতে বিএনপি (আল্লাহ না করুক) ক্ষমতায় থেকেবহুদলীয় গণতন্ত্রকরে নিবে আর জামায়াত চুপ মেরে গুপ্ত হয়ে যাবে। আসল বিপদ এ প্রজন্মের যারা লীগের ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়েছেন, তাদের। সে বিপদ আরো ত্বরান্বিত হয়েছে জামায়াত জোটে যাওয়ায়। নগদ যা লাভ হয়েছিল, সেটাকেও বড় করার কোন চিহ্ন দেখা গেল না। মাহফুজ আলম লেখেন, দুঃখজনক হলো, এ প্রজন্ম ব্যস্ত নিজেদের হাতের তালুর চেয়ে ছোট রুটি ভাগাভাগিতে। রুটিটা বড় করেন। আপনাদের তাকদ আছে এ জাতিকে, গ্লোবাল সাউথকে লিড দেয়ার। সেইটা করেন। যার যার পার্টি, দোকান, ফেরকা, তরিকা থেকে সংগঠিত হোন। প্রতিষ্ঠান গড়ুন। স্বচ্ছল হোন। রাজনীতিতে নয় শুধু, সমাজেও প্রভাব তৈরি করুন। দীর্ঘমেয়াদি লড়াই ও সংহতির পাটাতন গড়ে তুলুন।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক এই নেতা আরও লেখেন, বড়দের আস্কারাউস্কানিতে অনেক শক্তিক্ষয় হয়েছে। বড়রা হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে এ প্রজন্মকে। সাথে ছোটদের কোরাম আর মতাদর্শ ভিত্তিক একপাক্ষিক বয়ান ও সক্রিয় ছিল, আছে। এভাবেই খেয়ে ফেলা হয় তরুণদের। সেটা৭০ এর দশকে, ‘৯০ এর দশকেও ঘটেছে।

তিনি আরও লেখেন, লড়াইটা প্রজন্মের। আগের প্রজন্ম আপনাদের বাঁচাবেনা। সিম্পল কথা। এটা খেয়াল রেখে কৌশল নির্ধারণ করুন। যার যার ইমাম, খতিব, ফেরকা, তরিকা বানান, সমস্যা নাই। নিজেদের মধ্যে ব্যক্তি আক্রমণ আর বিদ্বেষচর্চা বন্ধ করেন। মতাদর্শের তর্ক তো হবেই,হোক। কিন্তু, কেবলা রাখেন জুলাই আর এন্টিফ্যাসিজম। সবশেষ তিনি লেখেন, পুনশ্চঃ আমরা ফ্যাসিস্ট লীগ তাড়াইছি নিশ্চিত মৃত্যু জেনে। সেই সাহসের সাথে এখন সাংগঠনিক শক্তি আর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা যুক্ত করেন। ফ্যাসিবাদ কোন ফর্মেই আর ফিরতে পারবে না।