ঢাকা ০২:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারকে ধন্যবাদ দিয়ে ‘সব নিরপরাধ মায়ের’ মুক্তি চাইলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:৪৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬
  • ৫২৫ বার পড়া হয়েছে

এবার সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে সব নিরপরাধ মায়ের মুক্তি কামনা করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেত্রী সেলিনা হায়াৎ আইভী। বুধবার (০৩) রাতে কারামুক্তি পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি একথা বলেন। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। জেলে অনেক নিরপরাধ মা আছেন। আশা করি সরকার তাদের প্রতি সদয় হবেন। এর আগে রাত ১০টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার বলেন, ‘বুধবার রাত ১০ টা ৮ মিনিটে সেলিনা হায়াৎ আইভী কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এদিন সন্ধ্যায় আসা আইভীর জামিনের কাগজপত্র যাচাইবাছাই করা হয়। পরে তিনি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কারাগার ত্যাগ করেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১২টি মামলা রয়েছে। সব মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন পাওয়ার পর তা আপিল বিভাগেও বহাল রাখা হয়।

কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (এ আইজি) জান্নাত উল ফরহাদ বলেন, বুধবার হাইকোর্টের ক্রিমিনাল মিস নং১৩৪১২/২৬ এবং নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের স্মারক নং৭৭৩ অনুযায়ী জামিনের আদেশ কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছায়। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারের স্মারক নং১৪৫৭ অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের ৯টি মামলায় সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো আটকাদেশ না থাকায় বুধবার রাতে তিনি মুক্তি পেয়েছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৯ মে সেলিনা হায়াৎ আইভীকে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তারের পর গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। আইভীর মুক্তির সময় কারাগার ফটকে তার আইনজীবী ও স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন। ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে জয়ী হন তিনি। তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের পর নেপালেও নিষিদ্ধ ভারতের আম

সরকারকে ধন্যবাদ দিয়ে ‘সব নিরপরাধ মায়ের’ মুক্তি চাইলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভী

আপডেট সময় ০৯:৪৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬

এবার সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে সব নিরপরাধ মায়ের মুক্তি কামনা করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেত্রী সেলিনা হায়াৎ আইভী। বুধবার (০৩) রাতে কারামুক্তি পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি একথা বলেন। এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। জেলে অনেক নিরপরাধ মা আছেন। আশা করি সরকার তাদের প্রতি সদয় হবেন। এর আগে রাত ১০টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার বলেন, ‘বুধবার রাত ১০ টা ৮ মিনিটে সেলিনা হায়াৎ আইভী কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। এদিন সন্ধ্যায় আসা আইভীর জামিনের কাগজপত্র যাচাইবাছাই করা হয়। পরে তিনি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কারাগার ত্যাগ করেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১২টি মামলা রয়েছে। সব মামলায় হাইকোর্টের দেওয়া জামিন পাওয়ার পর তা আপিল বিভাগেও বহাল রাখা হয়।

কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (এ আইজি) জান্নাত উল ফরহাদ বলেন, বুধবার হাইকোর্টের ক্রিমিনাল মিস নং১৩৪১২/২৬ এবং নারায়ণগঞ্জের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের স্মারক নং৭৭৩ অনুযায়ী জামিনের আদেশ কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছায়। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারের স্মারক নং১৪৫৭ অনুযায়ী নারায়ণগঞ্জের ৯টি মামলায় সেলিনা হায়াৎ আইভীর জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। তার বিরুদ্ধে অন্য কোনো আটকাদেশ না থাকায় বুধবার রাতে তিনি মুক্তি পেয়েছেন।

কারা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ৯ মে সেলিনা হায়াৎ আইভীকে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তারের পর গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। আইভীর মুক্তির সময় কারাগার ফটকে তার আইনজীবী ও স্বজনেরা উপস্থিত ছিলেন। ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী। পরে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের টানা তিনটি নির্বাচনে জয়ী হন তিনি। তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন।