ঢাকা ০১:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলি হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • ৬৩৫ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দক্ষিণ ইসরায়েলের বে’র শেভার সোরোকা হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম। খবর আল জাজিরার।

দ্য টাইমস অব ইসরায়েলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাসপাতালের ক্ষতির খবরের পাশাপাশি, পূর্বে তেল আবিব, রামাত গান ও দক্ষিণের হলনেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। এদিকে ইরানের সর্বশেষ ধ্বংসাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলিদের দেশজুড়ে আশ্রয়স্থল ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১২ জুন) ভোরে ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাকেরি এবং ইসলামিক রেভ্যুলিউশনারি গার্ডস কর্পসের (আইআরজিসি) প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি-সহ বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন।

এছাড়াও, ইসরায়েলি হামলায় ইরানের শীর্ষস্থানীয় ছয়জন পরমাণু বিজ্ঞানীও নিহত হয়েছেন। এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান কঠোর প্রতিশোধের হুমকি দেয় এবং পরবর্তীতে ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালায়। এরপর থেকে দুই পক্ষই একে অপরের ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলি হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট সময় ১২:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

এবার ইরানের সর্বশেষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর দক্ষিণ ইসরায়েলের বে’র শেভার সোরোকা হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম। খবর আল জাজিরার।

দ্য টাইমস অব ইসরায়েলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাসপাতালের ক্ষতির খবরের পাশাপাশি, পূর্বে তেল আবিব, রামাত গান ও দক্ষিণের হলনেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। এদিকে ইরানের সর্বশেষ ধ্বংসাত্মক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলিদের দেশজুড়ে আশ্রয়স্থল ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১২ জুন) ভোরে ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাকেরি এবং ইসলামিক রেভ্যুলিউশনারি গার্ডস কর্পসের (আইআরজিসি) প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি-সহ বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তা নিহত হন।

এছাড়াও, ইসরায়েলি হামলায় ইরানের শীর্ষস্থানীয় ছয়জন পরমাণু বিজ্ঞানীও নিহত হয়েছেন। এই হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরান কঠোর প্রতিশোধের হুমকি দেয় এবং পরবর্তীতে ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালায়। এরপর থেকে দুই পক্ষই একে অপরের ওপর হামলা অব্যাহত রেখেছে, যা আঞ্চলিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।