ঢাকা ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিনিয়োগের টাকা পেলে কোনও তরুণ চাকরির সন্ধানে যাবে না: প্রধান উপদেষ্টা

এবার যুব সমাজকে আত্মনির্ভর করে তুলতে বিনিয়োগভিত্তিক মডেলকে কার্যকরী পথ হিসেবে উল্লেখ করেছেন গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “এই ইন্ডাস্ট্রি যদি ইনভেস্টমেন্টের টাকা পায়, তাহলে কোনও তরুণের চাকরির সন্ধানে যাবে না, যাবার কোনও দরকার নেই।”

শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) ভবন উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ড. ইউনূস। তিনি বলেন, “এখন আমরা তরুণ, তাঁদের পরিবারের সদস্য, তাঁদের ছেলেমেয়ে যারা আছে, যারা চাকরির সন্ধানে বড় বড় হতে চাইছে,সবাই চাকরি করছে। কিন্তু চাকরি হওয়াটাই গন্তব্য নয়, বরং নিজের উদ্যোগই হতে পারে ভবিষ্যতের পথ।”

তার মতে, “সরকার হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হল প্রতিষ্ঠানগুলো সৃষ্টি করে দেওয়া। কাজেই ব্যাঙ্ক সৃষ্টি করার দায়িত্ব আমাদের, যাতে তরুণ-তরুণীরা, মহিলা-পুরুষ,ঘরের বাইরে যেখানেই থাকুক না কেন, তারা যেন ওই বিনিয়োগটা পায় এবং নিজের বুদ্ধিতে নিজের ব্যবসা করে ফেলতে পারে।”

ড. ইউনূস আরও বলেন, “এরকম হাজার হাজার তরুণ এখন সেই কাজ করছে এবং সম্প্রসারিত হচ্ছে। মাইক্রো ব্যাংকগুলো তাদের কাছে বিনিয়োগের টাকা পৌঁছে দিচ্ছে, আর তারা ধাপে ধাপে সে টাকা শোধ করে পুরোপুরি মালিকানা অর্জন করছে।”

তিনি বলেন, “আমার কাজ হলো তাকে উঠিয়ে দেওয়া। আমি তার ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতে চাই না, বরং চাই সে নিজের ভাগ্য নিজে গড়ে তুলুক।” উল্লেখ্য, প্রধান উপদেষ্টার এই বক্তব্যে উঠে আসে উদ্যোক্তা তৈরিতে সরকার ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত ভূমিকা, যা চাকরি নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

১১-দলীয় জোটের নির্বাচনী ইশতেহার- ‘মন্ত্রীদের সপ্তাহে কমপক্ষে একদিন জনপরিবহন ব্যবহার করতে হবে’

বিনিয়োগের টাকা পেলে কোনও তরুণ চাকরির সন্ধানে যাবে না: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০২:৪০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

এবার যুব সমাজকে আত্মনির্ভর করে তুলতে বিনিয়োগভিত্তিক মডেলকে কার্যকরী পথ হিসেবে উল্লেখ করেছেন গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, “এই ইন্ডাস্ট্রি যদি ইনভেস্টমেন্টের টাকা পায়, তাহলে কোনও তরুণের চাকরির সন্ধানে যাবে না, যাবার কোনও দরকার নেই।”

শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ) ভবন উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ড. ইউনূস। তিনি বলেন, “এখন আমরা তরুণ, তাঁদের পরিবারের সদস্য, তাঁদের ছেলেমেয়ে যারা আছে, যারা চাকরির সন্ধানে বড় বড় হতে চাইছে,সবাই চাকরি করছে। কিন্তু চাকরি হওয়াটাই গন্তব্য নয়, বরং নিজের উদ্যোগই হতে পারে ভবিষ্যতের পথ।”

তার মতে, “সরকার হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হল প্রতিষ্ঠানগুলো সৃষ্টি করে দেওয়া। কাজেই ব্যাঙ্ক সৃষ্টি করার দায়িত্ব আমাদের, যাতে তরুণ-তরুণীরা, মহিলা-পুরুষ,ঘরের বাইরে যেখানেই থাকুক না কেন, তারা যেন ওই বিনিয়োগটা পায় এবং নিজের বুদ্ধিতে নিজের ব্যবসা করে ফেলতে পারে।”

ড. ইউনূস আরও বলেন, “এরকম হাজার হাজার তরুণ এখন সেই কাজ করছে এবং সম্প্রসারিত হচ্ছে। মাইক্রো ব্যাংকগুলো তাদের কাছে বিনিয়োগের টাকা পৌঁছে দিচ্ছে, আর তারা ধাপে ধাপে সে টাকা শোধ করে পুরোপুরি মালিকানা অর্জন করছে।”

তিনি বলেন, “আমার কাজ হলো তাকে উঠিয়ে দেওয়া। আমি তার ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতে চাই না, বরং চাই সে নিজের ভাগ্য নিজে গড়ে তুলুক।” উল্লেখ্য, প্রধান উপদেষ্টার এই বক্তব্যে উঠে আসে উদ্যোক্তা তৈরিতে সরকার ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত ভূমিকা, যা চাকরি নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করতে পারে।