ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্যামনগরে বিএনপির কাউন্সিলে জাল ভোটকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:১৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫
  • ৬২৪ বার পড়া হয়েছে

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিএনপির পৌর কাউন্সিলের ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে জাল ভোটের অভিযোগে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত তিনজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) বিকেলে শ্যামনগর পৌরসভার নকিপুর এইচসি পাইলট বিদ্যালয় চত্বরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় শ্যামনগর পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ লিয়াকত আলী, বিএনপি কর্মী আনোয়ার-উস শাদাত মিঠু ও বাবু আহত হন। সংঘর্ষের মূল কারণ ছিল ৮নং ওয়ার্ডে একশ’ জাল ভোটার তালিকাভুক্তির অভিযোগ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল ৪টা থেকে ৯টি ওয়ার্ডে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কিন্তু ৮নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকায় জাল ভোটারের অভিযোগ তুলে একপক্ষ ভোটগ্রহণ স্থগিতের দাবি জানায়। এরপর সাবেক সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ ও যুগ্ম সম্পাদক আশেক ইলাহী মুন্নার সমর্থকরা লিয়াকত আলীর ওপর হামলা চালায়।

হামলায় মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মিঠু রাস্তায় পড়ে যান। তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শাকির হোসেন জানান, মিঠুর মাথায় গুরুতর জখম হয়েছে এবং তাকে একাধিক সেলাই দিতে হয়েছে।

এ বিষয়ে লিয়াকত আলী জানান, জাল ভোটের প্রতিবাদ করায় তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তিনি কাউন্সিল পরিচালনার দায়িত্বে থাকা জেলা নেতৃবৃন্দকেই দায়ী করেন।

তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু এবং সাংগঠনিক টিম প্রধান তাসকিন আহমেদ চিশতি।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, “পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরব যুদ্ধে জড়ালে ব্যবহার হবে পাকিস্তানের পরমাণু!

শ্যামনগরে বিএনপির কাউন্সিলে জাল ভোটকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ৩

আপডেট সময় ১২:১৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিএনপির পৌর কাউন্সিলের ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে জাল ভোটের অভিযোগে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত তিনজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২৫ জুলাই) বিকেলে শ্যামনগর পৌরসভার নকিপুর এইচসি পাইলট বিদ্যালয় চত্বরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় শ্যামনগর পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ লিয়াকত আলী, বিএনপি কর্মী আনোয়ার-উস শাদাত মিঠু ও বাবু আহত হন। সংঘর্ষের মূল কারণ ছিল ৮নং ওয়ার্ডে একশ’ জাল ভোটার তালিকাভুক্তির অভিযোগ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল ৪টা থেকে ৯টি ওয়ার্ডে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কিন্তু ৮নং ওয়ার্ডে ভোটার তালিকায় জাল ভোটারের অভিযোগ তুলে একপক্ষ ভোটগ্রহণ স্থগিতের দাবি জানায়। এরপর সাবেক সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ ও যুগ্ম সম্পাদক আশেক ইলাহী মুন্নার সমর্থকরা লিয়াকত আলীর ওপর হামলা চালায়।

হামলায় মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মিঠু রাস্তায় পড়ে যান। তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শাকির হোসেন জানান, মিঠুর মাথায় গুরুতর জখম হয়েছে এবং তাকে একাধিক সেলাই দিতে হয়েছে।

এ বিষয়ে লিয়াকত আলী জানান, জাল ভোটের প্রতিবাদ করায় তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তিনি কাউন্সিল পরিচালনার দায়িত্বে থাকা জেলা নেতৃবৃন্দকেই দায়ী করেন।

তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু এবং সাংগঠনিক টিম প্রধান তাসকিন আহমেদ চিশতি।

শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, “পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”