ঢাকা ১২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাজীগঞ্জে চাঁদাবাজি ও দখলবাণিজ্যে বিএনপি নেতাদের জড়িত থাকার অভিযোগ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৮৮ বার পড়া হয়েছে

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলাকে চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের “অভয়ারণ্য” হিসেবে বর্ণনা করছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ, বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতাকর্মী—বিশেষ করে সাবেক পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সেলিম ওরফে মাই ওয়ান সেলিম—বহুমুখী চাঁদাবাজি ও দখল বাণিজ্যে জড়িত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বৈরাচার পতনের পরও সেলিম মিজি বিভিন্ন জমি দখল, দোকান জোরপূর্বক বুঝিয়ে নেওয়া ও মোটা অংকের চাঁদা আদায়ের মাধ্যমে এলাকায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করছেন। এছাড়া তার লালিত বাহিনী—হাজীগঞ্জের সাবেক ছাত্রদল নেতা ফয়সাল হোসেন ও তার ভাই সাইফুল হাসান—দোকানদার ও সাধারণ মানুষকে হুমকি ও মারধরের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করছে।

স্থানীয় ক্লাব এবং ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, সেলিম মিজি এলাকায় সরকারি জায়গা ও প্রাইভেট সম্পত্তিতে দখল চেষ্টা করছেন। তিনি নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে ছাত্রদলের নাম ভাঙিয়ে বাহিনী তৈরি করেছেন। এর মধ্যে ছেলেমেয়েদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল এবং স্থানীয়দের ওপর চাপ তৈরি করার ঘটনা ঘটছে।

এছাড়া সেলিম মিজির বিরুদ্ধে ভারত থেকে আনা অনুমোদনহীন মোটরবাইক চালানোর অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়রা উল্লেখ করেছেন, তিনি নিজেকে বিএনপির ত্যাগী নেতা দাবী করে নানা জায়গায় অনৈতিক সুবিধা আদায় করার চেষ্টা করছেন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, সেলিম মিজির বাসায় অস্ত্র সংক্রান্ত তল্লাশি চালানো হলেও আপাতত নতুন অভিযোগ নেই।

স্থানীয়রা প্রশ্ন করছেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নীতি নির্ধারকরা চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের বিরুদ্ধে বারবার সতর্কবার্তা দিলেও কেন এসব নৈরাজ্য থামানো সম্ভব হচ্ছে না। জনগণের মধ্যে সন্দেহ দেখা দিয়েছে—বিএনপি কি আওয়ামী সরকারের পথেই চলছে, নাকি দুই দলের কার্যক্রমে মিল রয়েছে?

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোট কেন্দ্রে জালিয়াতির ইচ্ছে থাকলেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়: মোবাইল নিষিদ্ধের ইস্যুতে হাসনাত

হাজীগঞ্জে চাঁদাবাজি ও দখলবাণিজ্যে বিএনপি নেতাদের জড়িত থাকার অভিযোগ

আপডেট সময় ১০:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলাকে চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের “অভয়ারণ্য” হিসেবে বর্ণনা করছেন স্থানীয়রা। স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ, বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের কিছু নেতাকর্মী—বিশেষ করে সাবেক পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মিজানুর রহমান সেলিম ওরফে মাই ওয়ান সেলিম—বহুমুখী চাঁদাবাজি ও দখল বাণিজ্যে জড়িত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, স্বৈরাচার পতনের পরও সেলিম মিজি বিভিন্ন জমি দখল, দোকান জোরপূর্বক বুঝিয়ে নেওয়া ও মোটা অংকের চাঁদা আদায়ের মাধ্যমে এলাকায় নৈরাজ্য সৃষ্টি করছেন। এছাড়া তার লালিত বাহিনী—হাজীগঞ্জের সাবেক ছাত্রদল নেতা ফয়সাল হোসেন ও তার ভাই সাইফুল হাসান—দোকানদার ও সাধারণ মানুষকে হুমকি ও মারধরের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করছে।

স্থানীয় ক্লাব এবং ব্যবসায়ী সূত্রে জানা গেছে, সেলিম মিজি এলাকায় সরকারি জায়গা ও প্রাইভেট সম্পত্তিতে দখল চেষ্টা করছেন। তিনি নিজের আধিপত্য বিস্তার করতে ছাত্রদলের নাম ভাঙিয়ে বাহিনী তৈরি করেছেন। এর মধ্যে ছেলেমেয়েদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল এবং স্থানীয়দের ওপর চাপ তৈরি করার ঘটনা ঘটছে।

এছাড়া সেলিম মিজির বিরুদ্ধে ভারত থেকে আনা অনুমোদনহীন মোটরবাইক চালানোর অভিযোগও রয়েছে। স্থানীয়রা উল্লেখ করেছেন, তিনি নিজেকে বিএনপির ত্যাগী নেতা দাবী করে নানা জায়গায় অনৈতিক সুবিধা আদায় করার চেষ্টা করছেন।

হাজীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, সেলিম মিজির বাসায় অস্ত্র সংক্রান্ত তল্লাশি চালানো হলেও আপাতত নতুন অভিযোগ নেই।

স্থানীয়রা প্রশ্ন করছেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নীতি নির্ধারকরা চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের বিরুদ্ধে বারবার সতর্কবার্তা দিলেও কেন এসব নৈরাজ্য থামানো সম্ভব হচ্ছে না। জনগণের মধ্যে সন্দেহ দেখা দিয়েছে—বিএনপি কি আওয়ামী সরকারের পথেই চলছে, নাকি দুই দলের কার্যক্রমে মিল রয়েছে?