ঢাকা ০২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় ঢাকা থেকে শহিদুল আলমের অভিযান

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৮:৪৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬০৭ বার পড়া হয়েছে

গাজা অভিমুখী আন্তর্জাতিক নৌবহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় রয়েছেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী ড. শহিদুল আলম।

 

গতকাল মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ইতালি থেকে রওনা করা ত্রাণবাহী নৌবহর ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার’ বৃহত্তম জাহাজ ‘কনসায়েন্স’ এর অভিযাত্রী হয়েছেন শহিদুল আলম। তার পরনে জুলাই শহীদ আবু সাঈদের ছবি খচিত পাঞ্জাবি ও হাতে রয়েছে বাংলাদেশের পতাকা। বুধবার সন্ধ্যার দিকে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শহিদুল আলম বলেন, ‘আজ আমার বড় ভাইয়ের জন্মদিন। সে একজন বিদ্রোহী ছিলেন, যিনি সমাজের প্রত্যাশা পূরণ না পারায় আত্মত্যাগ করেছিলেন। তার মৃত্যু আমার জন্য দরজা খুলে দিয়েছে। আমি আমার বুকে আবু সাঈদকে পরিধান করেছি, যিনি সশস্ত্র পুলিশের সামনে তার বুক উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই তাকে হত্যা করা হয়, কিন্তু এটি শেখ হাসিনার পতনের আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।’ শহিদুল আলম আরো বলেন, ইতিহাসে যারা স্থিতাবস্থাকে (স্ট্যাটাস কো) চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন, তারাই সবকিছু বদলে দিয়েছেন। আজ ফ্লোটিলা ‘কনসায়েন্সে’ থাকা ব্যক্তিরা, ঢেউয়ের মধ্যে অগ্রভাগে থাকা নৌকার অন্যরা এবং বিশেষ করে যারা ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারের জন্য গাজায় তাদের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলেছেন, তারাই ইসরাইল এবং তার মিত্রদের গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ডকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পুলিশ পুনর্গঠনে জাপানের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় ঢাকা থেকে শহিদুল আলমের অভিযান

আপডেট সময় ০৮:৪৫:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

গাজা অভিমুখী আন্তর্জাতিক নৌবহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় রয়েছেন বাংলাদেশের খ্যাতিমান আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী ড. শহিদুল আলম।

 

গতকাল মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ইতালি থেকে রওনা করা ত্রাণবাহী নৌবহর ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার’ বৃহত্তম জাহাজ ‘কনসায়েন্স’ এর অভিযাত্রী হয়েছেন শহিদুল আলম। তার পরনে জুলাই শহীদ আবু সাঈদের ছবি খচিত পাঞ্জাবি ও হাতে রয়েছে বাংলাদেশের পতাকা। বুধবার সন্ধ্যার দিকে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শহিদুল আলম বলেন, ‘আজ আমার বড় ভাইয়ের জন্মদিন। সে একজন বিদ্রোহী ছিলেন, যিনি সমাজের প্রত্যাশা পূরণ না পারায় আত্মত্যাগ করেছিলেন। তার মৃত্যু আমার জন্য দরজা খুলে দিয়েছে। আমি আমার বুকে আবু সাঈদকে পরিধান করেছি, যিনি সশস্ত্র পুলিশের সামনে তার বুক উন্মুক্ত করে দিয়েছিল। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই তাকে হত্যা করা হয়, কিন্তু এটি শেখ হাসিনার পতনের আন্দোলনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।’ শহিদুল আলম আরো বলেন, ইতিহাসে যারা স্থিতাবস্থাকে (স্ট্যাটাস কো) চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন, তারাই সবকিছু বদলে দিয়েছেন। আজ ফ্লোটিলা ‘কনসায়েন্সে’ থাকা ব্যক্তিরা, ঢেউয়ের মধ্যে অগ্রভাগে থাকা নৌকার অন্যরা এবং বিশেষ করে যারা ফিলিস্তিনি জনগণের অধিকারের জন্য গাজায় তাদের জীবন ঝুঁকির মুখে ফেলেছেন, তারাই ইসরাইল এবং তার মিত্রদের গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ডকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে।