জাতীয় নাগরিক পাটির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে রাজনীতির নামে ধর্মীয় ভণ্ডামি ও ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা ওসমান হাদীকে রাজনৈতিক ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বিএনপি নেতা মুহাম্মদ রাশেদ খাঁন। শনিবার (৯ মে) নিজের ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান লিখেছেন, ‘রাজনীতির নামে ধর্মীয় ভণ্ডামি কখনোই নতুন রাজনীতি হতে পারেনা।’
তিনি লিখেছেন, ‘শহীদ ওসমান হাদী এনসিপির ৩ টা অপরাধ চিহ্নিত করে গেছেন। তিনি বলেছিলেন– (১) ঠিক ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ যেভাবে আওয়ামীলীগ কুক্ষিগত করেছে, এনসিপি সেভাবে জুলাইকে কুক্ষিগত করেছে। (২) তারা অনেকে দুর্নীতিগ্রস্ত হয়েছে। আজ থেকে ১০ মাস আগে যে ছেলেটা দেখেছি সারা গায়ে আঘাতের চিহ্ন, সেইসব ছেলেমেয়ে মাত্র ৮–১০ মাসের মধ্যে কিভাবে কোটি টাকার মালিক হতে পারে? এই চিন্তায় আমাদেরও ঘুম আসেনা। (৩) জুলাইয়ে বৃহত্তর ঐক্য নষ্ট করেছে এনসিপি।’
রাশেদ খান লিখেন, ‘এনসিপি সম্পর্কে এসব বলার কারণে এনসিপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ শহীদ ওসমান হাদী বেঁচে থাকা অবস্থা তাকে ধারণ করতো না, বরং এভয়ড করতো! কিন্তু তিনি শহীদ হওয়ার পরে হয়ে গেলেন এনসিপির আইডল! জাতীয় নির্বাচনে আগে তাঁকে এনসিপির সবচেয়ে বড় আধ্যাত্মিক নেতা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হলো! কিন্তু জীবিত অবস্থায় তিনি এনসিপি সম্পর্কে যেসব বলে গেছেন, সেগুলোর কোন জবাবদিহিতা এনসিপি করেছে? এখন মসজিদে মসজিদে গিয়ে এনসিপি নেতা নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী স্লোগান দিচ্ছে, আমরা সবাই হাদী হবো, গুলির মুখে কথা কবো…. তিনি কি সত্যিই শহীদ ওসমান হাদীকে ধারণ করেন, নাকি শহীদ ওসমান হাদীকে তার রাজনৈতিক যাত্রার ট্রাম কার্ড হিসেবে ব্যবহার করছেন? সেই উত্তর অবশ্যই শহীদ ওসমান হাদীর বক্তব্য বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘অতীতে তারা যেভাবে আওয়ামীলীগের মত জুলাইকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা করেছে। ঠিক এখন শহীদ ওসমান হাদীর জনপ্রিয়তা কুক্ষিগত করে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে এনসিপি। দেখেন, আমরা সবাই ওসমান হাদী হত্যার বিচার চাই। কিন্তু যখন কোন শহীদকে নিয়ে অতিমাত্রায় রাজনীতি করা হয়, তখন ধীরেধীরে তাঁর সার্বজনীনতা নষ্ট হতে থাকে!’





















