ঢাকা ০১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

টেস্ট ক্যাপটা আমৃত্যু রেখে দিতে চান মুশফিক

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০২:০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭১৩ বার পড়া হয়েছে

ইংল্যান্ডে ২০০৫ সালে অভিষেক হয় মুশফিকুর রহিমের। ঢাকায় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি খেলছেন ক্যারিয়ারের শততম টেস্ট। এর মধ্যে পেরিয়ে গেছে ২০ বছর। দীর্ঘ এই সময় এক ক্যাপ করে খেলছেন ৩৮ বছর বয়সী মুশফিক।

 

 

টেস্টের এই ব্যাগি গ্রিনের ছবি কিছুদিন আগে পোস্ট করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। ক্যাপটা পুরনো তো হয়েছেই, রঙটা পুরোপুরি চটে গেছে। মাথার ঘামে ভিজে খসে গেছে কিছু সুতা। ক্যাপের ক্যাপশনে মুশফিক লিখিছিলেন, ‘সকল উত্থান-পতনের সঙ্গী…।’

 

টেস্ট ক্যারিয়ারের বাকিটা তো বটেই, জীবনের বাকি সময়ও মুশফিক সংরক্ষণ করতে চান এই ব্যাগি গ্রিনটা। ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে শততম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের ইনিংস খেলা মুশফিক সংবাদ সম্মেলনে জানান তেমনটাই।

 

 

মুশফিক বলেন, ‘আমি মনে করি, টেস্ট আল্টিমেট (সেরা) ফরম্যাট। টেস্টের সবচাইতে বড় জিনিস ব্যাগি গ্রিন ক্যাপ। এটার মর্যাদা বলে বোঝানো যাবে না। আমি এমন কোনো টেস্ট নেই যেখানে ক্যাপ ছাড়া ফিল্ডিং করি। ক্যাপটা ফিল্ডিং করতে করতে অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে। আশা করি, আমৃত্য আমি এটা রাখতে পারবো।’

 

শততম টেস্টের সেঞ্চুরিটা দাদা-দাদী ও নানা-নানীকে উৎসর্গ করেছেন মুশফিকুর রহিম। তারা মুশফিকের খেলা দেখার জন্য আরও কিছুদিন বেঁচে থাকার আকুতি জানাতেন, ‘তারা (দাদা-দাদী, নানা-নানী) আমার সবচাইতে বড় ফ্যান ছিল। তারা বলতেন- ভাই তোমার খেলা দেখার জন্য আরও ক’টা দিন বেঁচে থাকতে চাই। তাদের প্রার্থনায় আমি আজকে এতদূর। জীবনে আরও অনেক বিশেষ মানুষ আছেন। তবে তাদের চারজনকে (সেঞ্চুরি) উৎসর্গ করতে চাই।’

জনপ্রিয় সংবাদ

মিথ্যা দুর্নীতির অভিযোগ দিনশেষে স্রেফ অভিযোগ হিসেবেই থাকবে, প্রমাণিত আর হবে না: হাসনাত

টেস্ট ক্যাপটা আমৃত্যু রেখে দিতে চান মুশফিক

আপডেট সময় ০২:০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

ইংল্যান্ডে ২০০৫ সালে অভিষেক হয় মুশফিকুর রহিমের। ঢাকায় আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি খেলছেন ক্যারিয়ারের শততম টেস্ট। এর মধ্যে পেরিয়ে গেছে ২০ বছর। দীর্ঘ এই সময় এক ক্যাপ করে খেলছেন ৩৮ বছর বয়সী মুশফিক।

 

 

টেস্টের এই ব্যাগি গ্রিনের ছবি কিছুদিন আগে পোস্ট করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। ক্যাপটা পুরনো তো হয়েছেই, রঙটা পুরোপুরি চটে গেছে। মাথার ঘামে ভিজে খসে গেছে কিছু সুতা। ক্যাপের ক্যাপশনে মুশফিক লিখিছিলেন, ‘সকল উত্থান-পতনের সঙ্গী…।’

 

টেস্ট ক্যারিয়ারের বাকিটা তো বটেই, জীবনের বাকি সময়ও মুশফিক সংরক্ষণ করতে চান এই ব্যাগি গ্রিনটা। ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে শততম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের ইনিংস খেলা মুশফিক সংবাদ সম্মেলনে জানান তেমনটাই।

 

 

মুশফিক বলেন, ‘আমি মনে করি, টেস্ট আল্টিমেট (সেরা) ফরম্যাট। টেস্টের সবচাইতে বড় জিনিস ব্যাগি গ্রিন ক্যাপ। এটার মর্যাদা বলে বোঝানো যাবে না। আমি এমন কোনো টেস্ট নেই যেখানে ক্যাপ ছাড়া ফিল্ডিং করি। ক্যাপটা ফিল্ডিং করতে করতে অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে। আশা করি, আমৃত্য আমি এটা রাখতে পারবো।’

 

শততম টেস্টের সেঞ্চুরিটা দাদা-দাদী ও নানা-নানীকে উৎসর্গ করেছেন মুশফিকুর রহিম। তারা মুশফিকের খেলা দেখার জন্য আরও কিছুদিন বেঁচে থাকার আকুতি জানাতেন, ‘তারা (দাদা-দাদী, নানা-নানী) আমার সবচাইতে বড় ফ্যান ছিল। তারা বলতেন- ভাই তোমার খেলা দেখার জন্য আরও ক’টা দিন বেঁচে থাকতে চাই। তাদের প্রার্থনায় আমি আজকে এতদূর। জীবনে আরও অনেক বিশেষ মানুষ আছেন। তবে তাদের চারজনকে (সেঞ্চুরি) উৎসর্গ করতে চাই।’