ঢাকা ০৯:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১৫ ঘণ্টা ধরে চলছে উদ্ধার তৎপরতার পরও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি শিশু সাজিদের

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:০০:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬০৮ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর তানোরে দুই বছরের শিশু সাজিদকে উদ্ধারে পুরো গ্রাম শ্বাসরুদ্ধ অবস্থায় আছে। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের ধানখড়ের মাঠে খেলতে গিয়ে মাত্র ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের ৪০ ফুট গভীর একটি নলকূপের গর্তে পড়ে যায় সে। এরপর থেকে টানা ১৫ ঘণ্টা ধরে চলছে উদ্ধার তৎপরতা, তবে এখনো তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে প্রথমিক পর্যায়ের উদ্ধার চেষ্টা চালানোর পর বুঝতে পারে, এক্সকেভেটর ছাড়া শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব নয়। কিন্তু তানোর উপজেলায় কোনো এক্সকেভেটর না পাওয়ায় উদ্ধার কাজে বড় বাধা সৃষ্টি হয়। অবশেষে রাত আটটার দিকে পাশের মোহনপুর উপজেলা থেকে দুটি ছোট এক্সকেভেটর এনে মাটি খনন শুরু করা হয়। রাত পৌঁনে দুইটার দিকে আরও একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন এক্সকেভেটর ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দ্রুতগতিতে খনন কাজ চলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের উদাসীনতায় উদ্ধার কাজে দেরি হয়েছে। তারা বলেন, সাজিদ দুপুরে গর্তে পড়লেও এক্সকেভেটর পৌঁছাতে রাত পর্যন্ত সময় লেগেছে, যা বড় ধরনের গাফিলতি। এক স্থানীয় নাজমুস সাকিব বলেন, “শুরু থেকেই যদি বড় এক্সকেভেটর পাওয়া যেত, তাহলে কাজ আরও দ্রুত এগোত।”

তানোর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ম্যানেজার আব্দুর রউফ জানান, তানোরে এক্সকেভেটর না পাওয়ায় তারা মোহনপুর থেকে দুটি ছোট এক্সকেভেটর আনেন। পরে রাতের দিকে একটি বড় এক্সকেভেটরও আসে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, “আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার কাজ শেষ করতে পারব।”

শিশু সাজিদকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে পারবে কি না—এই উদ্বেগ ও অপেক্ষায় রাতভর নির্ঘুম কাটাচ্ছেন এলাকার শত শত মানুষ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

১৫ ঘণ্টা ধরে চলছে উদ্ধার তৎপরতার পরও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি শিশু সাজিদের

আপডেট সময় ১১:০০:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজশাহীর তানোরে দুই বছরের শিশু সাজিদকে উদ্ধারে পুরো গ্রাম শ্বাসরুদ্ধ অবস্থায় আছে। বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের ধানখড়ের মাঠে খেলতে গিয়ে মাত্র ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের ৪০ ফুট গভীর একটি নলকূপের গর্তে পড়ে যায় সে। এরপর থেকে টানা ১৫ ঘণ্টা ধরে চলছে উদ্ধার তৎপরতা, তবে এখনো তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে প্রথমিক পর্যায়ের উদ্ধার চেষ্টা চালানোর পর বুঝতে পারে, এক্সকেভেটর ছাড়া শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব নয়। কিন্তু তানোর উপজেলায় কোনো এক্সকেভেটর না পাওয়ায় উদ্ধার কাজে বড় বাধা সৃষ্টি হয়। অবশেষে রাত আটটার দিকে পাশের মোহনপুর উপজেলা থেকে দুটি ছোট এক্সকেভেটর এনে মাটি খনন শুরু করা হয়। রাত পৌঁনে দুইটার দিকে আরও একটি উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন এক্সকেভেটর ঘটনাস্থলে পৌঁছালে দ্রুতগতিতে খনন কাজ চলছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের উদাসীনতায় উদ্ধার কাজে দেরি হয়েছে। তারা বলেন, সাজিদ দুপুরে গর্তে পড়লেও এক্সকেভেটর পৌঁছাতে রাত পর্যন্ত সময় লেগেছে, যা বড় ধরনের গাফিলতি। এক স্থানীয় নাজমুস সাকিব বলেন, “শুরু থেকেই যদি বড় এক্সকেভেটর পাওয়া যেত, তাহলে কাজ আরও দ্রুত এগোত।”

তানোর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ম্যানেজার আব্দুর রউফ জানান, তানোরে এক্সকেভেটর না পাওয়ায় তারা মোহনপুর থেকে দুটি ছোট এক্সকেভেটর আনেন। পরে রাতের দিকে একটি বড় এক্সকেভেটরও আসে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, “আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার কাজ শেষ করতে পারব।”

শিশু সাজিদকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে পারবে কি না—এই উদ্বেগ ও অপেক্ষায় রাতভর নির্ঘুম কাটাচ্ছেন এলাকার শত শত মানুষ।