যারা আগামীতে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করবে তাদেরকে প্রথমেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে বলে মনে করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘প্রথমেই আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে অনেক সমস্যা কমে আসবে, বাকি কাজ শুরু করা যাবে।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে গুলশানের একটি হোটেলে বিভিন্ন পেশাজীবী ও বিশিষ্টজনকে নিয়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জন প্রত্যাশা শীর্ষক আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, আমরা দেখেছি বিগত স্বৈরাচারের সময়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরে অন্যায্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এটা একটা অভ্যাসের মতো হয়ে গেছে। এ অভ্যাসের পরিবর্তন করতে হবে। এক কথায় দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হবে।
পানি, যানজট, নারী ও প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে নজর দিতে হবে বলেও মনে করেন তিনি।
আগামী সরকারকে ঢাকার যানজট কমাতে হবে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ঢাকা শহরের পানির স্তর নিচে চলে যাচ্ছে। সরকার গঠন করতে সক্ষম হলে শিক্ষিত নারীদের ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে সহযোগিতা করবে বিএনপি।
তিনি আরও বলেন, প্রান্তিক ও মাঝারি কৃষকদের আনা হবে কৃষক কার্ডের আওতায়। স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিয়ে ১ লাখ হেলথ কেয়ারার নিয়োগ দেওয়া হবে। শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষিত করা হবে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
এসময় দেশ এগিয়ে নিতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তারেক রহমান।
তারেক রহমান বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের নামে নতুন হাসপাতাল বা ভবন নির্মাণে বছরের পর বছর লেগে যায়, যার সুফল পেতে জনগণকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু বিএনপি পাবলিক–প্রাইভেট হাসপাতাল অংশীদারত্ব নীতির মাধ্যমে অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের জনগণকে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করতে পারবে। এই নীতির আওতায় সরকারি হাসপাতালের অতিরিক্ত রোগীদের রাষ্ট্রীয় খরচে বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হবে।























