ঢাকা ১১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন নিয়ে ভারতের নসিহত করার প্রয়োজন নেই

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:০৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৯৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রতিবেশী কোনো দেশের উপদেশ সরকারের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি এও জানান, অন্য কোনো দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হবে না।

বুধবার বিকেলে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, “এই সরকার শুরু থেকেই স্পষ্টভাবে বলে আসছে, আমরা এমন একটি উচ্চমানের নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাই, যেখানে মানুষ অবাধে ভোট দিতে পারবে। গত ১৫ বছরে এমন পরিবেশ ছিল না। এখন ভারত আমাদের নিয়ে কিছু উপদেশ দিচ্ছে, এটা আমরা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য মনে করি।”

উপদেষ্টা আরও ব্যাখ্যা করেন, “গত ১৫ বছর ধরে যে সরকার ছিল, তাদের সঙ্গে ভারতের মধুর সম্পর্ক থাকলেও নির্বাচনের প্রহসনমূলক প্রক্রিয়া নিয়ে তারা কোনো শব্দ উচ্চারণ করেনি। এখন আমরা সামনে ভালো নির্বাচনের দিকে এগুচ্ছি। এই মুহূর্তে আমাদের নসিহত করার কোনো প্রয়োজন নেই। আমরা জানি আমরা কী করতে চাই এবং মানুষ যেন ভোট দিতে পারে, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। নির্বাচিত হবেন সেই যাদের মানুষ ভোট দিবে।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

নির্বাচন নিয়ে ভারতের নসিহত করার প্রয়োজন নেই

আপডেট সময় ০৯:০৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রতিবেশী কোনো দেশের উপদেশ সরকারের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। তিনি এও জানান, অন্য কোনো দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হবে না।

বুধবার বিকেলে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, “এই সরকার শুরু থেকেই স্পষ্টভাবে বলে আসছে, আমরা এমন একটি উচ্চমানের নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাই, যেখানে মানুষ অবাধে ভোট দিতে পারবে। গত ১৫ বছরে এমন পরিবেশ ছিল না। এখন ভারত আমাদের নিয়ে কিছু উপদেশ দিচ্ছে, এটা আমরা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য মনে করি।”

উপদেষ্টা আরও ব্যাখ্যা করেন, “গত ১৫ বছর ধরে যে সরকার ছিল, তাদের সঙ্গে ভারতের মধুর সম্পর্ক থাকলেও নির্বাচনের প্রহসনমূলক প্রক্রিয়া নিয়ে তারা কোনো শব্দ উচ্চারণ করেনি। এখন আমরা সামনে ভালো নির্বাচনের দিকে এগুচ্ছি। এই মুহূর্তে আমাদের নসিহত করার কোনো প্রয়োজন নেই। আমরা জানি আমরা কী করতে চাই এবং মানুষ যেন ভোট দিতে পারে, সেটাই আমাদের মূল লক্ষ্য। নির্বাচিত হবেন সেই যাদের মানুষ ভোট দিবে।”