ঢাকা ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমি তোমাদের কষ্টটা বুঝতে পারি, কারণ একই কষ্টের মধ্যে আমিও আছি: নেতার ছেলেকে তারেক রহমানের ফোন

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৪৬:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪৮ বার পড়া হয়েছে

নোয়াখালীর সদর উপজেলা থেকে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের সমাবেশে ঢাকা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বিএনপি নেতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নিহত বিএনপি নেতার পরিবারের খোঁজ-খবর নিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর নিহত জামাল উদ্দিনের বড় সন্তানের ফোনে ফোন করে তিনি খোঁজ-খবর নেন। ফোনালাপে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মরহুম জামালের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

এর আগে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

 

জানা যায়, ঢাকায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আসার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় জামাল আহত হওয়ার খবর শুনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাৎক্ষণিকভাবে তাকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন, সে অনুযায়ী চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আজ বিএনপি নেতা জামাল মারা যাওয়ার বিষয়টি তিনি জেনে ফোন করে শোকাহত পরিবারের খোঁজ-খবর নেন। আগামীতে তিনি জামাল ভাইয়ের পরিবারকে সরেজমিনে দেখতে আসবেন বলেও জানা যায়।

 

নিহত জামাল উদ্দিনের বড় ছেলে রিয়াজের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, আমি তোমাদের কষ্টটা বুঝতে পারি, কারণ একই কষ্টের মধ্যে আমিও আছি।

 

আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে এখন তাদের জন্য দোয়া করা। আমরা সবাই তাদের জন্য দোয়া করব। পরিবারের সবার প্রতি খেয়াল রাখবে। ঝড়-বৃষ্টি, ঝড়-ঝঞ্ঝা যাই আসুক তিন ভাই একসঙ্গে থাকবে।

 

নিশ্চয়ই তোমার আব্বা এটাই দেখতে চেয়েছেন। আল্লাহ উনাকে বেহেস্ত নসিব করুন।

নিহত জামাল নোয়াখালী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন এবং তিনি একই ওয়ার্ডের আরশাদ মিয়ার ছেলে। তিনি ৩ ছেলে ১ মেয়ে সন্তানের জনক ছিলেন।

শুক্রবার রাত ৯টায় নোয়াখালী জেলা শহরের হরিনারায়ণপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা শেষে উত্তর ফকিরপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

নামাজে জানাজায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহানসহ বিপুলসংখ্যক লোক অংশ নেয়।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের বাগমারা বাজার এলাকায় নীলাচল পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের বিভাজনে উঠে যায়। এতে বিএনপি নেতা জামালসহ অন্তত ৩২ নেতাকর্মি আহত হন। আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জামাল মারা যান।

জনপ্রিয় সংবাদ

মেহেরপুরে বোমা মেরে ৩ লক্ষ টাকা ডাকাতি,ফোন লুট

আমি তোমাদের কষ্টটা বুঝতে পারি, কারণ একই কষ্টের মধ্যে আমিও আছি: নেতার ছেলেকে তারেক রহমানের ফোন

আপডেট সময় ১১:৪৬:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

নোয়াখালীর সদর উপজেলা থেকে তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের সমাবেশে ঢাকা যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত বিএনপি নেতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে নিহত বিএনপি নেতার পরিবারের খোঁজ-খবর নিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর নিহত জামাল উদ্দিনের বড় সন্তানের ফোনে ফোন করে তিনি খোঁজ-খবর নেন। ফোনালাপে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মরহুম জামালের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

এর আগে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

 

জানা যায়, ঢাকায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আসার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় জামাল আহত হওয়ার খবর শুনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তাৎক্ষণিকভাবে তাকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন, সে অনুযায়ী চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। আজ বিএনপি নেতা জামাল মারা যাওয়ার বিষয়টি তিনি জেনে ফোন করে শোকাহত পরিবারের খোঁজ-খবর নেন। আগামীতে তিনি জামাল ভাইয়ের পরিবারকে সরেজমিনে দেখতে আসবেন বলেও জানা যায়।

 

নিহত জামাল উদ্দিনের বড় ছেলে রিয়াজের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, আমি তোমাদের কষ্টটা বুঝতে পারি, কারণ একই কষ্টের মধ্যে আমিও আছি।

 

আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে এখন তাদের জন্য দোয়া করা। আমরা সবাই তাদের জন্য দোয়া করব। পরিবারের সবার প্রতি খেয়াল রাখবে। ঝড়-বৃষ্টি, ঝড়-ঝঞ্ঝা যাই আসুক তিন ভাই একসঙ্গে থাকবে।

 

নিশ্চয়ই তোমার আব্বা এটাই দেখতে চেয়েছেন। আল্লাহ উনাকে বেহেস্ত নসিব করুন।

নিহত জামাল নোয়াখালী পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি ছিলেন এবং তিনি একই ওয়ার্ডের আরশাদ মিয়ার ছেলে। তিনি ৩ ছেলে ১ মেয়ে সন্তানের জনক ছিলেন।

শুক্রবার রাত ৯টায় নোয়াখালী জেলা শহরের হরিনারায়ণপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নামাজে জানাজা শেষে উত্তর ফকিরপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

নামাজে জানাজায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহানসহ বিপুলসংখ্যক লোক অংশ নেয়।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের বাগমারা বাজার এলাকায় নীলাচল পরিবহনের একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের বিভাজনে উঠে যায়। এতে বিএনপি নেতা জামালসহ অন্তত ৩২ নেতাকর্মি আহত হন। আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জামাল মারা যান।