ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগ নেতার মেয়ের প্রতিষ্ঠান থেকে নির্বাচনী বডি ক্যামেরা ক্রয়

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৪৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫২২ বার পড়া হয়েছে

এবার আওয়ামী লীগের আমলে বিশেষ সুবিধা পাওয়া বেনজীর আহমেদ ও সাবেক অর্থমন্ত্রীর মেয়ে নাফিসা কামালের প্রতিষ্ঠানস্মার্ট টেকনোলজিসথেকে কেনা হলো বডিওর্ন ক্যামেরা। এই ক্যামেরা দিয়ে এবারের নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবে পুলিশ। জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি আওয়ামী লীগ আমলে পুলিশের সব টেন্ডার পেয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে এবারের বডিওর্ন ক্যামেরা আমদানিতেও। এরই মধ্যে মাঠ পর্যায়ে ক্যামেরা পৌঁছে গেলেও তথ্য দিতে নারাজ পুলিশের টেলিকম বিভাগ।

এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, বড় দুর্নীতি ও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চক্রান্ত করছে প্রশাসনে লুকিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের দোসররা। গত বছরের ৯ আগস্ট সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ২৬৯ কোটি টাকায় ৪০ হাজার বডিওর্ন ক্যামেরা কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে স্মার্ট টেকনোলজি ছাড়াও চারটি প্রতিষ্ঠানদাহুয়া, টিডিটেক, কেডাকম ও অকজন এই বডিওর্ন ক্যামেরা সরবরাহে যুক্ত ছিল। তবে ক্যামেরা ক্রয়ের তথ্য থাকলেও তা অস্বীকার করেছে দাহুয়া। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, লাগামহীন দুর্নীতি করতেই গোপনীয়ভাবে আনা হয়েছে এই পণ্য।

এ ছাড়া প্রশাসনে ঘাপটি মেরে বসে থাকা আওয়ামী লীগের দোসররা নির্বাচন বানচাল করতেও এমনটি করতে পারে। এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, এরই মধ্যে ক্যামেরাগুলো পুলিশের কাছে পৌঁছেছে। এর চেয়ে বেশি তিনি কিছু জানেন না।

জনপ্রিয় সংবাদ

কালো টাকা দিয়ে কারাগার থেকে সন্ত্রাসীদের বাইরে আনা হচ্ছে: গোলাম পরওয়ার

আওয়ামী লীগ নেতার মেয়ের প্রতিষ্ঠান থেকে নির্বাচনী বডি ক্যামেরা ক্রয়

আপডেট সময় ১১:৪৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার আওয়ামী লীগের আমলে বিশেষ সুবিধা পাওয়া বেনজীর আহমেদ ও সাবেক অর্থমন্ত্রীর মেয়ে নাফিসা কামালের প্রতিষ্ঠানস্মার্ট টেকনোলজিসথেকে কেনা হলো বডিওর্ন ক্যামেরা। এই ক্যামেরা দিয়ে এবারের নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করবে পুলিশ। জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি আওয়ামী লীগ আমলে পুলিশের সব টেন্ডার পেয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে এবারের বডিওর্ন ক্যামেরা আমদানিতেও। এরই মধ্যে মাঠ পর্যায়ে ক্যামেরা পৌঁছে গেলেও তথ্য দিতে নারাজ পুলিশের টেলিকম বিভাগ।

এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, বড় দুর্নীতি ও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চক্রান্ত করছে প্রশাসনে লুকিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের দোসররা। গত বছরের ৯ আগস্ট সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ২৬৯ কোটি টাকায় ৪০ হাজার বডিওর্ন ক্যামেরা কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এদিকে স্মার্ট টেকনোলজি ছাড়াও চারটি প্রতিষ্ঠানদাহুয়া, টিডিটেক, কেডাকম ও অকজন এই বডিওর্ন ক্যামেরা সরবরাহে যুক্ত ছিল। তবে ক্যামেরা ক্রয়ের তথ্য থাকলেও তা অস্বীকার করেছে দাহুয়া। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, লাগামহীন দুর্নীতি করতেই গোপনীয়ভাবে আনা হয়েছে এই পণ্য।

এ ছাড়া প্রশাসনে ঘাপটি মেরে বসে থাকা আওয়ামী লীগের দোসররা নির্বাচন বানচাল করতেও এমনটি করতে পারে। এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, এরই মধ্যে ক্যামেরাগুলো পুলিশের কাছে পৌঁছেছে। এর চেয়ে বেশি তিনি কিছু জানেন না।