‘আপনারা যদি ইসলামের পক্ষে কোরআনের পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন, আপনারা সোয়াবের ভাগী হবেন, আপনাদের জন্য জান্নাত অবধারিত। আর যদি কোরআনের বিরুদ্ধে ভোট দেন তাহলে গুনাহগার হবেন।’ লক্ষ্মীপুর–৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী এআর হাফিজ উল্যার এমন বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। হাফিজ উল্যাহ জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও রামগতি উপজেলার বাসিন্দা।
এদিকে স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নির্বাচনি এলাকার কমলনগর উপজেলার কোনো একটি ব্লকে ৪–৫ দিন আগে গণসংযোগে বক্তব্য দেওয়ার সময় হাফিজ উল্যাহ ‘দাঁড়িপাল্লায় ভোট না দিলে গুনাহ হবে এবং ভোট দিলে জান্নাত অবধারিত’ বলে বক্তব্য দেন। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) তার ওই বক্তব্যটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিটিতে দেখা যায় মাইক হাতে হাফিজ উল্যাহ বলছেন, ‘মা–বোনদের জন্য বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মাতৃকালীন ভাতা আছে, প্রতিবন্ধী ভাতা আছে। এগুলো কি আপনারা পান..? এগুলো পান না। তারপর জেলে কার্ড আছে। সেগুলো পাওয়া যায় না। আপনাদের কাছে অনুরোধ করবো, একদল দুর্নীতি করতে করতে শেষ, আরেকদল বিগত দিনে দুর্নীতি করেছে, আবার করতে রেডি হচ্ছে। আপনাদের কাছে অনুরোধ, আমাদের দ্বারা দুর্নীতি হবে না। আমি বলতে চাই, আপনারা যদি ইসলামের পক্ষে কোরআনের পক্ষে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন, আপনারা সোয়াবের ভাগী হবেন, আপনাদের জন্য জান্নাত অবধারিত। আর যদি কোরআনের বিরুদ্ধে ভোট দেন তাহলে গুনাহগার হবেন। ওরা ভোট দেওয়ার পর নির্বাচিত হলে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি করবে এবং রাস্তার টাকা মেরে খাবে, প্রজেক্টের টাকা মেরে খাবে, এটা হইলো তাদের কাজ।’
এ ব্যাপারে জামায়াতের প্রার্থী এআর হাফিজ উল্যাহ বলেন, ‘আমাদের ইন্টার্নাল একটা প্রোগ্রাম ছিল। বক্তব্যতো অনেকগুলোই দিয়েছি, কাটছাঁট করে সেখান থেকে এনে মিলিয়ে দিয়েছে। আমি এরকম বক্তব্য দিইনি। এ ঘটনায় প্রতিবাদ দেওয়া হবে।’




















