ঢাকা ০২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি ব্যবহারে অনুমতি দিয়ে ‘যুদ্ধে যুক্ত হলো যুক্তরাজ্য’

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৩৭:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • ৫১৫ বার পড়া হয়েছে

এবার যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পরোক্ষভাবে যুক্ত হয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, তারা ইরানের মিসাইল ব্যবস্থায় হামলা চালাতে তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুমতি দিয়েছেন। আজ সোমবার (২ মার্চ) এ ব্যাপারে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তিনি অবশ্য জানিয়েছেন যুদ্ধে প্রত্যক্ষ অর্থাৎ সরাসরি যুক্ত হবেন না তারা।

স্টারমার বলেছেন, ‘আমাদের উপসাগরীয় অঞ্চলের (মধ্যপ্রাচ্যে) বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে রক্ষায় আমাদের আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে অনুরোধ করেছে। আমাদের ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানগুলো বর্তমানে আকাশপথে যৌথ প্রতিরক্ষা অভিযানে অংশ নিচ্ছেএবং তারা ইতিমধ্যেই ইরানের ছোড়া বেশ কিছু হামলা সফলভাবে রুখে দিয়েছে।

তবে এই হুমকি পুরোপুরি বন্ধ করার একমাত্র পথ হলোমিসাইলগুলোকে সেগুলোর উৎসস্থলেই ধ্বংস করে দেওয়া। অর্থাৎ ইরানের যে গুদামে এগুলো রাখা আছে বা যে লঞ্চার দিয়ে এগুলো ছোড়া হয়, সেগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া।‘‘যুক্তরাষ্ট্রনির্দিষ্ট এবং সীমিত প্রতিরক্ষা স্বার্থেব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছে।

আমরা তাদের এই অনুরোধ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের উদ্দেশ্য হলো ইরানকে থামানো, যেন তারা পুরো অঞ্চলে মিসাইল ছুড়ে নিরীহ মানুষ হত্যা করতে না পারে, ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন ঝুঁকিতে না ফেলে এবং এমন সব দেশে হামলা না চালায় যারা এই সংঘাতের সাথে জড়িতই নয়,’ সূত্র: বিবিসি

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধ কখন ও কীভাবে শেষ হবে তা ইরানই ঠিক করবে: আব্বাস আরাগচি

যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি ব্যবহারে অনুমতি দিয়ে ‘যুদ্ধে যুক্ত হলো যুক্তরাজ্য’

আপডেট সময় ১১:৩৭:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

এবার যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পরোক্ষভাবে যুক্ত হয়েছে যুক্তরাজ্য। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, তারা ইরানের মিসাইল ব্যবস্থায় হামলা চালাতে তাদের ঘাঁটি ব্যবহার করতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুমতি দিয়েছেন। আজ সোমবার (২ মার্চ) এ ব্যাপারে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তিনি অবশ্য জানিয়েছেন যুদ্ধে প্রত্যক্ষ অর্থাৎ সরাসরি যুক্ত হবেন না তারা।

স্টারমার বলেছেন, ‘আমাদের উপসাগরীয় অঞ্চলের (মধ্যপ্রাচ্যে) বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে রক্ষায় আমাদের আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে অনুরোধ করেছে। আমাদের ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানগুলো বর্তমানে আকাশপথে যৌথ প্রতিরক্ষা অভিযানে অংশ নিচ্ছেএবং তারা ইতিমধ্যেই ইরানের ছোড়া বেশ কিছু হামলা সফলভাবে রুখে দিয়েছে।

তবে এই হুমকি পুরোপুরি বন্ধ করার একমাত্র পথ হলোমিসাইলগুলোকে সেগুলোর উৎসস্থলেই ধ্বংস করে দেওয়া। অর্থাৎ ইরানের যে গুদামে এগুলো রাখা আছে বা যে লঞ্চার দিয়ে এগুলো ছোড়া হয়, সেগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া।‘‘যুক্তরাষ্ট্রনির্দিষ্ট এবং সীমিত প্রতিরক্ষা স্বার্থেব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছে।

আমরা তাদের এই অনুরোধ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের উদ্দেশ্য হলো ইরানকে থামানো, যেন তারা পুরো অঞ্চলে মিসাইল ছুড়ে নিরীহ মানুষ হত্যা করতে না পারে, ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবন ঝুঁকিতে না ফেলে এবং এমন সব দেশে হামলা না চালায় যারা এই সংঘাতের সাথে জড়িতই নয়,’ সূত্র: বিবিসি