এবার টানা পঞ্চম দিনের মতো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দুবাইয়ে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলেট ভবন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরান, লেবানন ও ইরাকে চলেছে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ।
এদিকে কুয়েত ও সৌদি আরবের পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে মার্কিন কনস্যুলেটে ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। টানা দুই দিনে মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি দেশে মার্কিন দূতাবাস বা কূটনৈতিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে কাতারে অবস্থিত মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতেও হামলা হয়েছে। ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার তথ্য স্বীকার করেছে কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
কুয়েত ও বাহরাইন লক্ষ্য করেও নিয়মিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে ইরান। পাশাপাশি ইসরাইলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে ছোড়া হচ্ছে ঝাঁকে ঝাঁকে ক্ষেপণাস্ত্র। এদিকে চার দিনে ইরানে অন্তত দুই হাজার স্থানে হামলা চালানোর তথ্য জানিয়েছে মার্কিন বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। তাদের দাবি, এসব হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা অনেকাংশে দুর্বল হয়েছে। পাশাপাশি ইরানের অন্তত ১৭টি জাহাজ ও সাবমেরিন ধ্বংসের দাবিও করেছে মার্কিন বাহিনী।
ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠী কাতাইব হিজবুল্লাহর অবস্থানেও হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যদিকে, লেবাননে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল। লেবাননের সীমান্ত এলাকায় স্থল অভিযান ও ভূখণ্ড দখলের তৎপরতাও চলছে।

















