ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের হামলার ভয়ে সারারাত বাঙ্কারে লাখো ইসরাইলি

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:৩৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ৫৩৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের পক্ষ থেকে একের পর এক ধেয়ে আসা ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলার মুখে লাখ লাখ ইসরাইলি নাগরিককে নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ে। শুক্রবার (৬ মার্চ) মধ্যরাত থেকে ইসরাইল অভিমুখে ইরান অন্তত পাঁচটি ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণ করেছে। এই ধারাবাহিক হামলার ফলে পুরো রাত জুড়ে লাখ লাখ মানুষ বোম্ব শেল্টারে অবস্থান নিতে বাধ্য হন।

ইসরাইলি বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই বিশেষ কৌশল বা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে মিসাইল ছোড়ার প্রধান উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষকে দীর্ঘক্ষণ আশ্রয়ে বন্দি রেখে ইসরাইল সরকারের ওপর মানসিক ও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা। ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী আগেই আভাস দিয়েছিল যে যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহে ইরান থেকে অন্তত ১,০০০ মিসাইল হামলা হতে পারে। তবে বাস্তবে এখন পর্যন্ত মাত্র ২০০টি মিসাইল ছোড়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ক্ষেপণাস্ত্রের এই সংখ্যার ব্যবধানকে ইসরাইলি পক্ষ থেকে ইরানের সামরিক দুর্বলতা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তাদের দাবি, ইসরাইলি বাহিনীর ধারাবাহিকঅপারেশনাল সাকসেসবা সফল সামরিক অভিযানের কারণেই ইরান তার সক্ষমতা অনুযায়ী বড় আকারের হামলা চালাতে ব্যর্থ হচ্ছে। তবে হামলার এই আতঙ্ক ইসরাইলের জনজীবনে বড় ধরণের স্থবিরতা তৈরি করেছে। সূত্র: আলজাজিরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে ব্যর্থ হলেও ভেনেজুয়েলার সব সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের হামলার ভয়ে সারারাত বাঙ্কারে লাখো ইসরাইলি

আপডেট সময় ১২:৩৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

এবার ইরানের পক্ষ থেকে একের পর এক ধেয়ে আসা ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলার মুখে লাখ লাখ ইসরাইলি নাগরিককে নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ে। শুক্রবার (৬ মার্চ) মধ্যরাত থেকে ইসরাইল অভিমুখে ইরান অন্তত পাঁচটি ব্যালিস্টিক মিসাইল উৎক্ষেপণ করেছে। এই ধারাবাহিক হামলার ফলে পুরো রাত জুড়ে লাখ লাখ মানুষ বোম্ব শেল্টারে অবস্থান নিতে বাধ্য হন।

ইসরাইলি বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই বিশেষ কৌশল বা ভিন্ন ভিন্ন সময়ে মিসাইল ছোড়ার প্রধান উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষকে দীর্ঘক্ষণ আশ্রয়ে বন্দি রেখে ইসরাইল সরকারের ওপর মানসিক ও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা। ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী আগেই আভাস দিয়েছিল যে যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহে ইরান থেকে অন্তত ১,০০০ মিসাইল হামলা হতে পারে। তবে বাস্তবে এখন পর্যন্ত মাত্র ২০০টি মিসাইল ছোড়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ক্ষেপণাস্ত্রের এই সংখ্যার ব্যবধানকে ইসরাইলি পক্ষ থেকে ইরানের সামরিক দুর্বলতা হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তাদের দাবি, ইসরাইলি বাহিনীর ধারাবাহিকঅপারেশনাল সাকসেসবা সফল সামরিক অভিযানের কারণেই ইরান তার সক্ষমতা অনুযায়ী বড় আকারের হামলা চালাতে ব্যর্থ হচ্ছে। তবে হামলার এই আতঙ্ক ইসরাইলের জনজীবনে বড় ধরণের স্থবিরতা তৈরি করেছে। সূত্র: আলজাজিরা।