ঢাকা ০৭:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হামলায় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি নিহত: দাবি ইসরায়েলের

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৪:২০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ৫২২ বার পড়া হয়েছে

এবার ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানিকে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। খবর আলজাজিরার। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ দাবি করেন।

কাৎজ বলেন, ইরানের শাসকগোষ্ঠীর নেতাদের হত্যা করা হচ্ছে এবং তাদের সক্ষমতা ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের সেনাবাহিনী শক্তিশালীভাবে কাজ করছে যাতে ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এবং কৌশলগত অবকাঠামোতে আঘাত হেনে তা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা যায়।

দশকের পর দশক ধরে ইরানের শাসন কাঠামোর মধ্যে সংযত ও বাস্তববাদী নেতা হিসেবে পরিচিত আলি লারিজানি ছিলেন ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কাউন্সিলের সচিব। তিনি যুক্তরাষ্ট্রইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালে দেশের কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৫৮ সালে ইরাকের নাজাফে জন্ম নিন লারিজানি। আমোলের এমন এক ধনী ও শক্তিশালী পরিবারে তার জন্ম যাকে একসময় টাইম ম্যাগাজিনইরানের কেনেডি পরিবারহিসেবে বর্ণনা করেছিল। তার বাবা ছিলেন একজন বিশিষ্ট ধর্মীয় পণ্ডিত।

২০ বছর বয়সে ফরিদেহ মোতাহারিকে বিয়ে করেন লারিজানি। ফরিদেহ ছিলেন ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা রুহুল্লাহ খোমেনির ঘনিষ্ঠ সহযোগীর মেয়ে। অনেক সমসাময়িক ব্যক্তির বিপরীতে, লারিজানির একাডেমিক পটভূমি ছিল ধর্মনিরপেক্ষ। তিনি গণিত ও কম্পিউটার বিজ্ঞানে ডিগ্রি অর্জনের পর পাশ্চাত্য দর্শনে ডক্টরেট সম্পন্ন করেন। 

২০০৮ সালে তিনি পার্লামেন্টে প্রবেশ করেন এবং টানা তিন মেয়াদে স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির অনুমোদন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ২০২৫ সালের আগস্টে লারিজানি আবারও সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব পদে ফিরে আসেন এবং ইরানের নেতৃত্বে পুনরায় একজন প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হন।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামলায় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি নিহত: দাবি ইসরায়েলের

হামলায় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি নিহত: দাবি ইসরায়েলের

আপডেট সময় ০৪:২০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

এবার ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানিকে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। খবর আলজাজিরার। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ দাবি করেন।

কাৎজ বলেন, ইরানের শাসকগোষ্ঠীর নেতাদের হত্যা করা হচ্ছে এবং তাদের সক্ষমতা ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের সেনাবাহিনী শক্তিশালীভাবে কাজ করছে যাতে ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা এবং কৌশলগত অবকাঠামোতে আঘাত হেনে তা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করা যায়।

দশকের পর দশক ধরে ইরানের শাসন কাঠামোর মধ্যে সংযত ও বাস্তববাদী নেতা হিসেবে পরিচিত আলি লারিজানি ছিলেন ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কাউন্সিলের সচিব। তিনি যুক্তরাষ্ট্রইসরায়েলের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলাকালে দেশের কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১৯৫৮ সালে ইরাকের নাজাফে জন্ম নিন লারিজানি। আমোলের এমন এক ধনী ও শক্তিশালী পরিবারে তার জন্ম যাকে একসময় টাইম ম্যাগাজিনইরানের কেনেডি পরিবারহিসেবে বর্ণনা করেছিল। তার বাবা ছিলেন একজন বিশিষ্ট ধর্মীয় পণ্ডিত।

২০ বছর বয়সে ফরিদেহ মোতাহারিকে বিয়ে করেন লারিজানি। ফরিদেহ ছিলেন ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা রুহুল্লাহ খোমেনির ঘনিষ্ঠ সহযোগীর মেয়ে। অনেক সমসাময়িক ব্যক্তির বিপরীতে, লারিজানির একাডেমিক পটভূমি ছিল ধর্মনিরপেক্ষ। তিনি গণিত ও কম্পিউটার বিজ্ঞানে ডিগ্রি অর্জনের পর পাশ্চাত্য দর্শনে ডক্টরেট সম্পন্ন করেন। 

২০০৮ সালে তিনি পার্লামেন্টে প্রবেশ করেন এবং টানা তিন মেয়াদে স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির অনুমোদন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ২০২৫ সালের আগস্টে লারিজানি আবারও সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব পদে ফিরে আসেন এবং ইরানের নেতৃত্বে পুনরায় একজন প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হন।