ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানের হামলায় ১০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১২:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
  • ৫১৯ বার পড়া হয়েছে

এবার মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক এফ৩৫ মডেলের যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি মার্কিন ঘাঁটিতে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। সিএনএন এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানি বাহিনীর গোলার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর মার্কিন এফ৩৫ যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যের একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে জরুরি অবতরণ করেছে। এছাড়া ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীও মার্কিন যুদ্ধবিমানে আঘাত হানার দাবি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেন, পঞ্চম প্রজন্মের এই যুদ্ধবিমানটিইরানের বিরুদ্ধে একটি যুদ্ধ অভিযানপরিচালনা করার সময় জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। হকিন্স আরও বলেন, ‘বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছে। পাইলটের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রইসরাইলের যৌথ হামলা শুরুর পর এই প্রথম কোনো মার্কিন বিমান ইরানের সরাসরি হামলার শিকার হলো। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইসরাইলও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এফ৩৫ ব্যবহার করছে। একটি এফ৩৫ যুদ্ধবিমান তৈরি করতে ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ হয়। এদিকে গ্যাসক্ষেত্রে হামলার জবাবে ইসরাইলের বেশ কয়েকটি স্থানে হামলা চালিয়েছে ইরান। উত্তরাঞ্চলের কিরিয়াত শেমোনা শহরে রকেট হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। একইসঙ্গে হাইফা এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে বাজান গ্রুপের তেল শোধনাগারকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়। যদিও বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশেও সামরিক অভিযান চালায় ইরান। কাতারের রাস লাফান এলএনজি স্থাপনায় হামলায় দেশটির প্রায় ১৭ শতাংশ গ্যাস রফতানি সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে বছরে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সৌদি আরবের ইয়ানবু অঞ্চলে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়, যদিও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশিরভাগই প্রতিহত করে। ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে কুয়েতে ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম কোম্পানির স্থাপনাগুলো। জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি বলে মত বিশ্লেষকদের।

জনপ্রিয় সংবাদ

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় শেখ হাসিনা-কাদেরসহ ১২৪ জনকে অব্যাহতি

ইরানের হামলায় ১০০ মিলিয়ন ডলারের মার্কিন যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট সময় ১২:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

এবার মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক এফ৩৫ মডেলের যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার পর পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমানটি মধ্যপ্রাচ্যের একটি মার্কিন ঘাঁটিতে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। সিএনএন এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানি বাহিনীর গোলার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর মার্কিন এফ৩৫ যুদ্ধবিমান মধ্যপ্রাচ্যের একটি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে জরুরি অবতরণ করেছে। এছাড়া ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীও মার্কিন যুদ্ধবিমানে আঘাত হানার দাবি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেন, পঞ্চম প্রজন্মের এই যুদ্ধবিমানটিইরানের বিরুদ্ধে একটি যুদ্ধ অভিযানপরিচালনা করার সময় জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। হকিন্স আরও বলেন, ‘বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করেছে। পাইলটের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রইসরাইলের যৌথ হামলা শুরুর পর এই প্রথম কোনো মার্কিন বিমান ইরানের সরাসরি হামলার শিকার হলো। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইসরাইলও অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এফ৩৫ ব্যবহার করছে। একটি এফ৩৫ যুদ্ধবিমান তৈরি করতে ১০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ হয়। এদিকে গ্যাসক্ষেত্রে হামলার জবাবে ইসরাইলের বেশ কয়েকটি স্থানে হামলা চালিয়েছে ইরান। উত্তরাঞ্চলের কিরিয়াত শেমোনা শহরে রকেট হামলায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। একইসঙ্গে হাইফা এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে বাজান গ্রুপের তেল শোধনাগারকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়। যদিও বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশেও সামরিক অভিযান চালায় ইরান। কাতারের রাস লাফান এলএনজি স্থাপনায় হামলায় দেশটির প্রায় ১৭ শতাংশ গ্যাস রফতানি সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে বছরে প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। সৌদি আরবের ইয়ানবু অঞ্চলে ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়, যদিও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বেশিরভাগই প্রতিহত করে। ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে কুয়েতে ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম কোম্পানির স্থাপনাগুলো। জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় হুমকি বলে মত বিশ্লেষকদের।