ঢাকা ০৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভুয়া বিল দেখিয়ে ৬৪ লাখ টাকা নিয়েছেন উপদেষ্টা ফারুকী: মাসুদ কামাল

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৪৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২১ বার পড়া হয়েছে

এবার সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নাকি ভুয়া সীমানাপ্রাচীর দেখিয়ে ৬৪ লাখ টাকা বিল তুলে নিয়েছেনতার আপ্যায়ন খরচই নাকি এক লাখ ১৮ হাজার টাকা! মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।

মাসুদ কামাল বলেন, ‘আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অফিসে যারা আছেন, সবার সারা দিনেরদুপুরে এবং বিকেলের নাশতার জন্য বাজেট হলো মাত্র ১৫০ টাকা। আর একজন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুকী সাহেব এবং অতিথিদের জন্য আপ্যায়ন খরচ এক লাখ ১৮ হাজার টাকা!’

আমি মনে করি এগুলো খতিয়ে দেখা উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই অভিযোগগুলো মিথ্যা হলে উনি সম্মানিত হবেন, যদি মিথ্যা না হয় তাহলে জনগণের অর্থ অপচয়কারীর শাস্তি হবে। দুটোর একটিই তো হওয়া উচিত। সন্দেহ নিয়ে আমরা থাকতে চাই না। আমরা সকলের সন্দেহের অবসান চাই। উনি চোর নাকি উনি সাধু এই অবসানটাও চাই।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্তে আসতে চাই যে এই লোকগুলো একেকটা বড় বড় চোর ছিল, দাগি চোর ছিল, সিঁধেল চোর ছিলএটা জানতে চাই। অথবা তারা একজন মসজিদের ইমাম ছিল মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিল, খতিব ছিল কি না সেটাও জানতে চাই।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানকে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে পাকিস্তান

ভুয়া বিল দেখিয়ে ৬৪ লাখ টাকা নিয়েছেন উপদেষ্টা ফারুকী: মাসুদ কামাল

আপডেট সময় ১১:৪৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

এবার সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নাকি ভুয়া সীমানাপ্রাচীর দেখিয়ে ৬৪ লাখ টাকা বিল তুলে নিয়েছেনতার আপ্যায়ন খরচই নাকি এক লাখ ১৮ হাজার টাকা! মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।

মাসুদ কামাল বলেন, ‘আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অফিসে যারা আছেন, সবার সারা দিনেরদুপুরে এবং বিকেলের নাশতার জন্য বাজেট হলো মাত্র ১৫০ টাকা। আর একজন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুকী সাহেব এবং অতিথিদের জন্য আপ্যায়ন খরচ এক লাখ ১৮ হাজার টাকা!’

আমি মনে করি এগুলো খতিয়ে দেখা উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই অভিযোগগুলো মিথ্যা হলে উনি সম্মানিত হবেন, যদি মিথ্যা না হয় তাহলে জনগণের অর্থ অপচয়কারীর শাস্তি হবে। দুটোর একটিই তো হওয়া উচিত। সন্দেহ নিয়ে আমরা থাকতে চাই না। আমরা সকলের সন্দেহের অবসান চাই। উনি চোর নাকি উনি সাধু এই অবসানটাও চাই।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্তে আসতে চাই যে এই লোকগুলো একেকটা বড় বড় চোর ছিল, দাগি চোর ছিল, সিঁধেল চোর ছিলএটা জানতে চাই। অথবা তারা একজন মসজিদের ইমাম ছিল মসজিদের মুয়াজ্জিন ছিল, খতিব ছিল কি না সেটাও জানতে চাই।