ঢাকা ১০:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মাদারগঞ্জে তিন স্কুলে সবাই ফেল, আরও কয়েকটিতে পাস একজন করে

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:২৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫
  • ৬৫৭ বার পড়া হয়েছে

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এছাড়া আরও কয়েকটি স্কুলে মাত্র একজন বা দুই-তিনজন শিক্ষার্থী পাস করেছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত ফলাফলে এসব তথ্য উঠে আসে।

উপজেলায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৩.৭৩ শতাংশ। তবে এর বিপরীতে রাবেয়া রইস বালিকা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, নিশ্চিন্তপুর বালিকা দাখিল মাদরাসা এবং কে.পি.এইচ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (ভোকেশনাল) থেকে অংশ নেওয়া মোট ৮ শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হয়নি।

এছাড়া নিশ্চিতপুর কাতলামারি জুনিয়র স্কুল, মুক্তিযোদ্ধা গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু উচ্চবিদ্যালয়, হাটমাগুরা শেখ রেহেনা উচ্চবিদ্যালয়, খিলকাটি আইডিয়াল জুনিয়র স্কুল এবং নব্যচর কারিগরী কলেজ—এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র একজন করে শিক্ষার্থী পাস করেছে। আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানে দুই বা তিনজন করে শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।

শিক্ষা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জোবায়দুল ইসলাম বলেন, “তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস না করা এবং কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র একজন করে উত্তীর্ণ হওয়া আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি অশনি সংকেত। এর পেছনে রয়েছে শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্বহীনতা, অব্যবস্থাপনা এবং সঠিক মনিটরিংয়ের অভাব।”

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম জানান, “এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪ হাজার ৪৪৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ২ হাজার ৩৪৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ১২৭ জন পেয়েছে জিপিএ-৫। তবে ২ হাজার ১০১ জন পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে, যা নিয়ে আমাদের গভীরভাবে ভাবতে হবে।”

অভিভাবকরা এসব ফলাফলের জন্য দায়ী করছেন শিক্ষকদের অনীহা, সুষ্ঠু পাঠদানের অভাব এবং স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তাদের তদারকির ঘাটতিকে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের যোগ্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: শাহজাহান চৌধুরী

মাদারগঞ্জে তিন স্কুলে সবাই ফেল, আরও কয়েকটিতে পাস একজন করে

আপডেট সময় ১১:২৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই ২০২৫

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এছাড়া আরও কয়েকটি স্কুলে মাত্র একজন বা দুই-তিনজন শিক্ষার্থী পাস করেছে। বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) প্রকাশিত ফলাফলে এসব তথ্য উঠে আসে।

উপজেলায় গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৬৩.৭৩ শতাংশ। তবে এর বিপরীতে রাবেয়া রইস বালিকা ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট, নিশ্চিন্তপুর বালিকা দাখিল মাদরাসা এবং কে.পি.এইচ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় (ভোকেশনাল) থেকে অংশ নেওয়া মোট ৮ শিক্ষার্থীর কেউই উত্তীর্ণ হয়নি।

এছাড়া নিশ্চিতপুর কাতলামারি জুনিয়র স্কুল, মুক্তিযোদ্ধা গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু উচ্চবিদ্যালয়, হাটমাগুরা শেখ রেহেনা উচ্চবিদ্যালয়, খিলকাটি আইডিয়াল জুনিয়র স্কুল এবং নব্যচর কারিগরী কলেজ—এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র একজন করে শিক্ষার্থী পাস করেছে। আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানে দুই বা তিনজন করে শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে।

শিক্ষা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জোবায়দুল ইসলাম বলেন, “তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস না করা এবং কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থেকে মাত্র একজন করে উত্তীর্ণ হওয়া আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি অশনি সংকেত। এর পেছনে রয়েছে শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির দায়িত্বহীনতা, অব্যবস্থাপনা এবং সঠিক মনিটরিংয়ের অভাব।”

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম জানান, “এ বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয় ৪ হাজার ৪৪৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ২ হাজার ৩৪৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে এবং ১২৭ জন পেয়েছে জিপিএ-৫। তবে ২ হাজার ১০১ জন পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে, যা নিয়ে আমাদের গভীরভাবে ভাবতে হবে।”

অভিভাবকরা এসব ফলাফলের জন্য দায়ী করছেন শিক্ষকদের অনীহা, সুষ্ঠু পাঠদানের অভাব এবং স্থানীয় শিক্ষা কর্মকর্তাদের তদারকির ঘাটতিকে।