ঢাকা ০৯:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নন্দীগ্রামে ফজরের আজান দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:১৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬৬০ বার পড়া হয়েছে

বগুড়ার নন্দীগ্রামে ফজরের আজান দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বুলু মিয়া (৫০) নামের এক মুয়াজ্জিন। রোববার (২ আগস্ট) ভোরে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে বৈলগ্রাম উত্তরপাড়া এলাকায়।

নিহত বুলু মিয়া পৌরসভার বৈলগ্রাম উত্তরপাড়ার মৃত আছিমুদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে স্থানীয় ওয়াক্তিয়া মসজিদে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো ফজরের নামাজের জন্য আজান দিতে বাড়ি থেকে মসজিদের পথে রওনা দেন বুলু মিয়া। পথে রাস্তার ওপর ছিঁড়ে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তার পানিতে পড়ে থাকায় তা দেখতে না পেয়ে হঠাৎই তাতে পা দেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

খবর পেয়ে নন্দীগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। থানার ওসি মোজহারুল ইসলাম জানান, পরিবারের কেউ কোনো অভিযোগ না করায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এদিকে বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম কায়সার রেজা গণমাধ্যমকে জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্টের কারণ হিসেবে যে লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছিল সেখানে নিয়মিত তারের বদলে জিআই (গ্যালভানাইজড আয়রন) তার ব্যবহারের কথা উঠে এসেছে। ভারি বর্ষণের কারণে ওই তার ছিঁড়ে যায়, যার ফলে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

নন্দীগ্রামে ফজরের আজান দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

আপডেট সময় ১১:১৫:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

বগুড়ার নন্দীগ্রামে ফজরের আজান দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন বুলু মিয়া (৫০) নামের এক মুয়াজ্জিন। রোববার (২ আগস্ট) ভোরে এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে বৈলগ্রাম উত্তরপাড়া এলাকায়।

নিহত বুলু মিয়া পৌরসভার বৈলগ্রাম উত্তরপাড়ার মৃত আছিমুদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে স্থানীয় ওয়াক্তিয়া মসজিদে মুয়াজ্জিনের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো ফজরের নামাজের জন্য আজান দিতে বাড়ি থেকে মসজিদের পথে রওনা দেন বুলু মিয়া। পথে রাস্তার ওপর ছিঁড়ে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তার পানিতে পড়ে থাকায় তা দেখতে না পেয়ে হঠাৎই তাতে পা দেন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

খবর পেয়ে নন্দীগ্রাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। থানার ওসি মোজহারুল ইসলাম জানান, পরিবারের কেউ কোনো অভিযোগ না করায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এদিকে বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম কায়সার রেজা গণমাধ্যমকে জানান, বিদ্যুৎস্পৃষ্টের কারণ হিসেবে যে লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছিল সেখানে নিয়মিত তারের বদলে জিআই (গ্যালভানাইজড আয়রন) তার ব্যবহারের কথা উঠে এসেছে। ভারি বর্ষণের কারণে ওই তার ছিঁড়ে যায়, যার ফলে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা এ ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।