ঢাকা ০৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাজায় কবর দেওয়ার জায়গার সংকট

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬২৫ বার পড়া হয়েছে

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় চলমান ইসরায়েলি হামলায় হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু ও ভবন ধ্বংসের ঘটনায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। নিহতদের মরদেহ সমাহিত করার মতো জায়গাও এখন সেখানে ফুরিয়ে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কবরস্থানগুলোতে এত মানুষ সমাহিত করা হয়েছে যে নতুন কোনো কবর খোঁড়ার স্থান অবশিষ্ট নেই। বাধ্য হয়ে ফিলিস্তিনিরা হাসপাতালের আঙিনা, তাঁবুর পাশ কিংবা খালি স্থানে প্রিয়জনদের কবর দিচ্ছেন। বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই এই সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয় যখন দখলদার ইসরায়েল সরাসরি কবরস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালায়।

২০২৩ সাল থেকে অব্যাহত ইসরায়েলি হামলায় গাজায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দেড় লাখের বেশি ফিলিস্তিনি। এখনও বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে।

এদিকে রক্তপাত বন্ধ করতে যুদ্ধবিরতির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো। সর্বশেষ তারা ৬০ দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব দিয়েছে। এতে হামাস ইতোমধ্যে সম্মতি জানিয়েছে। প্রস্তাবের খসড়া ইসরায়েলকেও পাঠানো হয়েছে, তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে হলে হামাসকে জীবিত ও মৃত ৫০ জিম্মিকে একসঙ্গে মুক্তি দিতে হবে। এতে মূলত প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যানের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার পর্যন্ত ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো।

সূত্র: রয়টার্স

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হলে মার্কিন নৌবহর ডুবিয়ে দেওয়ার হুমকি আইআরজিসির

গাজায় কবর দেওয়ার জায়গার সংকট

আপডেট সময় ১১:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় চলমান ইসরায়েলি হামলায় হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু ও ভবন ধ্বংসের ঘটনায় ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। নিহতদের মরদেহ সমাহিত করার মতো জায়গাও এখন সেখানে ফুরিয়ে এসেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কবরস্থানগুলোতে এত মানুষ সমাহিত করা হয়েছে যে নতুন কোনো কবর খোঁড়ার স্থান অবশিষ্ট নেই। বাধ্য হয়ে ফিলিস্তিনিরা হাসপাতালের আঙিনা, তাঁবুর পাশ কিংবা খালি স্থানে প্রিয়জনদের কবর দিচ্ছেন। বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই এই সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয় যখন দখলদার ইসরায়েল সরাসরি কবরস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালায়।

২০২৩ সাল থেকে অব্যাহত ইসরায়েলি হামলায় গাজায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৬৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দেড় লাখের বেশি ফিলিস্তিনি। এখনও বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে প্রকৃত মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে।

এদিকে রক্তপাত বন্ধ করতে যুদ্ধবিরতির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো। সর্বশেষ তারা ৬০ দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব দিয়েছে। এতে হামাস ইতোমধ্যে সম্মতি জানিয়েছে। প্রস্তাবের খসড়া ইসরায়েলকেও পাঠানো হয়েছে, তবে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দপ্তর জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে হলে হামাসকে জীবিত ও মৃত ৫০ জিম্মিকে একসঙ্গে মুক্তি দিতে হবে। এতে মূলত প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যানের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার পর্যন্ত ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো।

সূত্র: রয়টার্স