ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন আগে সাংবিধানিক সংস্কার নয়: বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৫:৪৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৯২ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচনের আগে কোনো সাংবিধানিক সংস্কার সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তার দাবি, সংবিধান সংশোধন কিংবা পরিবর্তনের একমাত্র ফোরাম সংসদ, তাই সংসদের বাইরে সংস্কারের যে কোনো প্রচেষ্টা হবে অসাংবিধানিক এবং আইনি বৈধতা পাবে না।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে পাঠানো চিঠিতে বিএনপি এ অবস্থান জানায়।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, যেসব সংস্কারের জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন নেই, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চাইলে অধ্যাদেশ বা প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে নির্বাচনের আগেই বাস্তবায়ন করতে পারে। তবে সাংবিধানিক বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার চলমান সংবিধানের বৈধতার ভিত্তিতেই গঠিত। তাই সরকারের প্রধান দায়িত্ব সংবিধান রক্ষা করা। সংবিধানবহির্ভূত কোনো পদক্ষেপ নিলে সরকারের বৈধতাই প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা প্রশ্ন তোলেন—“সংসদ ছাড়া সাংবিধানিক পরিবর্তনের বৈধতা কে দেবে? আদালতে এসব পদক্ষেপ টিকবে না, কার্যকরও হবে না।”

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী ২৫ বছর গ্রীষ্মকালে হবে না পবিত্র হজ

নির্বাচন আগে সাংবিধানিক সংস্কার নয়: বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ

আপডেট সময় ০৫:৪৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নির্বাচনের আগে কোনো সাংবিধানিক সংস্কার সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তার দাবি, সংবিধান সংশোধন কিংবা পরিবর্তনের একমাত্র ফোরাম সংসদ, তাই সংসদের বাইরে সংস্কারের যে কোনো প্রচেষ্টা হবে অসাংবিধানিক এবং আইনি বৈধতা পাবে না।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কাছে পাঠানো চিঠিতে বিএনপি এ অবস্থান জানায়।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, যেসব সংস্কারের জন্য সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন নেই, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার চাইলে অধ্যাদেশ বা প্রশাসনিক আদেশের মাধ্যমে নির্বাচনের আগেই বাস্তবায়ন করতে পারে। তবে সাংবিধানিক বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।

তিনি আরও বলেন, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার চলমান সংবিধানের বৈধতার ভিত্তিতেই গঠিত। তাই সরকারের প্রধান দায়িত্ব সংবিধান রক্ষা করা। সংবিধানবহির্ভূত কোনো পদক্ষেপ নিলে সরকারের বৈধতাই প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা প্রশ্ন তোলেন—“সংসদ ছাড়া সাংবিধানিক পরিবর্তনের বৈধতা কে দেবে? আদালতে এসব পদক্ষেপ টিকবে না, কার্যকরও হবে না।”