ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরগুনায় মর্মান্তিক দম্পতি হত্যাকাণ্ডের পর দুই কন্যাশিশুর দায়িত্ব নিল জামায়াতে ইসলামী

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১০:১১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬৩০ বার পড়া হয়েছে

বরগুনা সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া গ্রামে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা ও দিনমজুর স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর মানবিক সহায়তায় এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দলটির জেলা আমির অধ্যাপক মাওলানা মোহাম্মদ মহিব্বুল্লাহ হারুন নিহত দম্পতির দুই কন্যাশিশুর সার্বিক আশ্রয় ও শিক্ষার দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দেন।

এর আগে গত রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ওই দম্পতি—স্বপন মোল্লা (৩২) ও আকলিমা (২৭)-এর মরদেহ তাদের ঘর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ঘরে থাকা পাঁচ বছরের সাদিয়া এবং এক বছরের আফসানাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। স্বপন পেশায় স্যানিটারি মিস্ত্রি ছিলেন এবং আলাদা ঘরে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন।

ঘটনার দিন সকালে সাদিয়া তার ফুফু রাজিয়াকে জানায়, মা কোনো সাড়া দিচ্ছে না। পরে রাজিয়া ঘরে গিয়ে স্বপনের ঝুলন্ত মরদেহ ও আকলিমার গলাকাটা দেহ দেখতে পান এবং চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

পরিবারের হঠাৎ ভরসাহীন হয়ে পড়া দুই শিশুর পাশে দাঁড়িয়ে জেলা জামায়াতের আমির শিক্ষা উপকরণ, স্কুল ব্যাগ ও নগদ অর্থ পরিবারের হাতে তুলে দেন। তিনি ঘোষণা দেন, দুই শিশুর লেখাপড়া থেকে বড় হওয়া পর্যন্ত যাবতীয় দায়িত্ব জামায়াত পালন করবে।

নিহত আকলিমার ভাই শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম, কে দেখবে এই ছোট বাচ্চাদের। জেলা জামায়াতের আমির দায়িত্ব নেয়ার পর কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি। এখন চাই, ওরা যেন ভালোভাবে মানুষ হয়।”

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র থাকলে ইসরাইল দুই ঘণ্টাও টিকতে পারত না: ট্রাম্প

বরগুনায় মর্মান্তিক দম্পতি হত্যাকাণ্ডের পর দুই কন্যাশিশুর দায়িত্ব নিল জামায়াতে ইসলামী

আপডেট সময় ১০:১১:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বরগুনা সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া গ্রামে স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা ও দিনমজুর স্বামীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পর মানবিক সহায়তায় এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দলটির জেলা আমির অধ্যাপক মাওলানা মোহাম্মদ মহিব্বুল্লাহ হারুন নিহত দম্পতির দুই কন্যাশিশুর সার্বিক আশ্রয় ও শিক্ষার দায়িত্ব নেয়ার ঘোষণা দেন।

এর আগে গত রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ওই দম্পতি—স্বপন মোল্লা (৩২) ও আকলিমা (২৭)-এর মরদেহ তাদের ঘর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ঘরে থাকা পাঁচ বছরের সাদিয়া এবং এক বছরের আফসানাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। স্বপন পেশায় স্যানিটারি মিস্ত্রি ছিলেন এবং আলাদা ঘরে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বসবাস করতেন।

ঘটনার দিন সকালে সাদিয়া তার ফুফু রাজিয়াকে জানায়, মা কোনো সাড়া দিচ্ছে না। পরে রাজিয়া ঘরে গিয়ে স্বপনের ঝুলন্ত মরদেহ ও আকলিমার গলাকাটা দেহ দেখতে পান এবং চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

পরিবারের হঠাৎ ভরসাহীন হয়ে পড়া দুই শিশুর পাশে দাঁড়িয়ে জেলা জামায়াতের আমির শিক্ষা উপকরণ, স্কুল ব্যাগ ও নগদ অর্থ পরিবারের হাতে তুলে দেন। তিনি ঘোষণা দেন, দুই শিশুর লেখাপড়া থেকে বড় হওয়া পর্যন্ত যাবতীয় দায়িত্ব জামায়াত পালন করবে।

নিহত আকলিমার ভাই শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম, কে দেখবে এই ছোট বাচ্চাদের। জেলা জামায়াতের আমির দায়িত্ব নেয়ার পর কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি। এখন চাই, ওরা যেন ভালোভাবে মানুষ হয়।”