ঢাকা ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ড. ইউনূসের নির্ধারিত সময়সীমায় আস্থা প্রকাশ করলো জামায়াত: “তাঁর কাজের পথে বাধা নয়, সহযোগিতা করাই দায়িত্ব

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:২১:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
  • ৬৯১ বার পড়া হয়েছে

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নয় মাস পূর্তিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্ধারিত সময়সীমার প্রতি আস্থা ও সহযোগিতার বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (২৪ মে) দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশনের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “আজকে পরিবর্তনের নয় মাস অতিক্রান্ত হয়েছে। আমাদের প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন তিনি এই বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে সম্পন্ন করতে চান। আমরা তাঁর এই বক্তব্যের উপর আস্থা রাখতে চাই এবং সেই অনুযায়ী আমাদের অবস্থান ফ্লেক্সিবল রেখেছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা তাঁকে বাধ্য করতে চাই না, কারণ তিনি তো আমাদের দ্বারা মনোনীত ও সমর্থিত একজন অভিভাবক। তিনি আমাদের প্রতিপক্ষ নন, বরং সকলের আস্থাভাজন। তাই তাঁর দায়িত্ব পালনে আমাদের উচিত সর্বাত্মক সহযোগিতা করা।”

জামায়াত আমির আরও দাবি করেন, “আমরা জানামতে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিনি। বরং, যথাসাধ্য সহযোগিতা করে গেছি।”

এই বক্তব্যকে দেশের রাজনৈতিক পরিসরে একটি গঠনমূলক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে অংশগ্রহণমূলক ও সমঝোতাপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের সব বিমানবন্দরে বাড়তি সতর্কতা জারি

ড. ইউনূসের নির্ধারিত সময়সীমায় আস্থা প্রকাশ করলো জামায়াত: “তাঁর কাজের পথে বাধা নয়, সহযোগিতা করাই দায়িত্ব

আপডেট সময় ১১:২১:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নয় মাস পূর্তিতে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্ধারিত সময়সীমার প্রতি আস্থা ও সহযোগিতার বার্তা দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (২৪ মে) দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশনের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “আজকে পরিবর্তনের নয় মাস অতিক্রান্ত হয়েছে। আমাদের প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন তিনি এই বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের জুনের মধ্যে সম্পন্ন করতে চান। আমরা তাঁর এই বক্তব্যের উপর আস্থা রাখতে চাই এবং সেই অনুযায়ী আমাদের অবস্থান ফ্লেক্সিবল রেখেছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা তাঁকে বাধ্য করতে চাই না, কারণ তিনি তো আমাদের দ্বারা মনোনীত ও সমর্থিত একজন অভিভাবক। তিনি আমাদের প্রতিপক্ষ নন, বরং সকলের আস্থাভাজন। তাই তাঁর দায়িত্ব পালনে আমাদের উচিত সর্বাত্মক সহযোগিতা করা।”

জামায়াত আমির আরও দাবি করেন, “আমরা জানামতে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করিনি। বরং, যথাসাধ্য সহযোগিতা করে গেছি।”

এই বক্তব্যকে দেশের রাজনৈতিক পরিসরে একটি গঠনমূলক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে অংশগ্রহণমূলক ও সমঝোতাপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।