ঢাকা ০১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পার্লামেন্টে বোরকা অপমান করায় অস্ট্রেলীয় সিনেটর বহিষ্কার

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৪:১৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৯৮ বার পড়া হয়েছে

পার্লামেন্টে বোরকাকে অপমানজনকভাবে উপস্থাপন করায় অস্ট্রেলিয়ার উগ্র ডানপন্থি নারী সিনেটর পওলিন হ্যানসনকে সাত কর্মদিবসের জন্য সিনেট থেকে বহিষ্কার করেছে দেশটির আইনসভা। প্রকাশ্যে বোরকা নিষিদ্ধ করার প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি হঠাৎই সংসদ অধিবেশনে পূর্ণ বোরকা পরে প্রবেশ করেন। পরে সেটি খুলে ফেলতেই তীব্র সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় ওঠে।

হ্যানসন এর আগে বোরকা নিষিদ্ধ করতে একটি বিল আনার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ব্যর্থ হন। এরপর তিনি বোরকা পরে পার্লামেন্টে প্রবেশ করেন—যা মুসলিম আইনপ্রণেতা ও সাধারণ মুসলিমদের কাছে বর্ণবাদী আচরণ হিসেবে চিহ্নিত হয়।

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি অং তার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “সিনেটর হ্যানসনের বিদ্বেষপূর্ণ লোক দেখানো কাজ আমাদের সমাজের বন্ধনীকে ছিন্নভিন্ন করেছে। তার এই কাজ বিশ্বব্যাপী অস্ট্রেলিয়ার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে এবং অন্যদের খারাপ পরিণতির মুখে ফেলেছে।” তিনি আরও বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার প্রায় ১০ লাখ মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে তিনি তাচ্ছিল্য করেছেন। পার্লামেন্টে এতটা অসম্মানজনক আচরণ আমরা আগে দেখিনি।”

অন্যদিকে সিনেট থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরও হ্যানসন তার কর্মকাণ্ডের সাফাই দিয়ে বলেন, “ব্যাংকসহ অনেক জায়গায় হেলমেট পরা নিষিদ্ধ। তাহলে বোরকা কেন ব্যতিক্রম হবে?” তিনি দাবি করেন, পার্লামেন্টে ড্রেসকোড না থাকায় তিনি যেকোনো পোশাক পরে আসার অধিকার রাখেন।

কুইন্সল্যান্ডের এ সিনেটর ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ এশীয় অভিবাসন ও মুসলিম পোশাকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আলোচনায় আসেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের জাবেরের পোস্ট

পার্লামেন্টে বোরকা অপমান করায় অস্ট্রেলীয় সিনেটর বহিষ্কার

আপডেট সময় ০৪:১৫:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

পার্লামেন্টে বোরকাকে অপমানজনকভাবে উপস্থাপন করায় অস্ট্রেলিয়ার উগ্র ডানপন্থি নারী সিনেটর পওলিন হ্যানসনকে সাত কর্মদিবসের জন্য সিনেট থেকে বহিষ্কার করেছে দেশটির আইনসভা। প্রকাশ্যে বোরকা নিষিদ্ধ করার প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি হঠাৎই সংসদ অধিবেশনে পূর্ণ বোরকা পরে প্রবেশ করেন। পরে সেটি খুলে ফেলতেই তীব্র সমালোচনা ও নিন্দার ঝড় ওঠে।

হ্যানসন এর আগে বোরকা নিষিদ্ধ করতে একটি বিল আনার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ব্যর্থ হন। এরপর তিনি বোরকা পরে পার্লামেন্টে প্রবেশ করেন—যা মুসলিম আইনপ্রণেতা ও সাধারণ মুসলিমদের কাছে বর্ণবাদী আচরণ হিসেবে চিহ্নিত হয়।

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি অং তার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, “সিনেটর হ্যানসনের বিদ্বেষপূর্ণ লোক দেখানো কাজ আমাদের সমাজের বন্ধনীকে ছিন্নভিন্ন করেছে। তার এই কাজ বিশ্বব্যাপী অস্ট্রেলিয়ার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছে এবং অন্যদের খারাপ পরিণতির মুখে ফেলেছে।” তিনি আরও বলেন, “অস্ট্রেলিয়ার প্রায় ১০ লাখ মানুষের ধর্মবিশ্বাসকে তিনি তাচ্ছিল্য করেছেন। পার্লামেন্টে এতটা অসম্মানজনক আচরণ আমরা আগে দেখিনি।”

অন্যদিকে সিনেট থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পরও হ্যানসন তার কর্মকাণ্ডের সাফাই দিয়ে বলেন, “ব্যাংকসহ অনেক জায়গায় হেলমেট পরা নিষিদ্ধ। তাহলে বোরকা কেন ব্যতিক্রম হবে?” তিনি দাবি করেন, পার্লামেন্টে ড্রেসকোড না থাকায় তিনি যেকোনো পোশাক পরে আসার অধিকার রাখেন।

কুইন্সল্যান্ডের এ সিনেটর ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ এশীয় অভিবাসন ও মুসলিম পোশাকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আলোচনায় আসেন।