ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তৌহিদী জনতার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে ‘ধর্মান্ধতা’ বলা সংঘাত উসকে দেয়ার শামিল: মাওলানা মামুনুল হক

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:০৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬৯৯ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক বলেছেন আবুল সরকারের আল্লাহদ্রোহী বক্তব্য জঘন্য ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তার বিরুদ্ধে তৌহিদী জনতার প্রতিক্রিয়া ছিল শান্তিপূর্ণ ও ঈমানি দায়িত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ। অপরাধীকে রক্ষা করতে গিয়ে প্রতিবাদকারীদের ওপর দোষ চাপানো অবিচার ও ইসলামী চেতনার প্রতি স্পষ্ট অবজ্ঞা।

 

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন আবুল সরকারের পক্ষাবলম্বী সব গোষ্ঠীর এই অসত্যোপাসনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা অপরাধীর ধর্মবিরোধী বক্তব্য নিয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি; বরং আল্লাহ ও দ্বীনের বিরুদ্ধে অবমাননাকে আড়াল করে মুসলিম জনতার স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদকে ‘উগ্রবাদ’ বলছে এটি বিগত ফ্যাসিবাদী ভাষাচর্চারই পুনরাবৃত্তি। তৌহিদী জনতার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে ‘ধর্মান্ধতা’ বলা সংঘাত উসকে দেয়ার শামিল।

 

তিনি বলেন আবুল সরকারের সমর্থকরা মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে উসকানিমূলক আচরণের মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালিয়েছে, যা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত। আরও উদ্বেগজনক হলোএকটি রাজনৈতিক দল, কিছু বুদ্ধিজীবী ও ইসলামবিরোধী চক্র আল্লাহর প্রতি চরম অবমাননাকর বক্তব্যকে আড়াল করে কুখ্যাত এই বাউলের পক্ষাবলম্বন করছে। এমনকি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের মহাসচিবও ঠাকুরগাঁওয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৌহিদী জনতার ন্যায্য প্রতিবাদকে উগ্রবাদী-ধর্মান্ধ চক্রের কাজ বলেছেন।

 

তিনি আবুল সরকারের দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে বলেন, অনুভূতিতে আঘাতকারীদের প্রতি শূন্য সহনশীলতার নীতি কার্যকর করতে হবে। রাজনৈতিক মহলকে ধর্মীয় বিষয়ে সংযত, দায়িত্বশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ বক্তব্য প্রদানের চর্চা গড়ে তুলতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

যে এলাকার নেতা প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন, সে এলাকায় কি উন্নয়ন হবে না: প্রশ্ন গোলাম পরওয়ারের

তৌহিদী জনতার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে ‘ধর্মান্ধতা’ বলা সংঘাত উসকে দেয়ার শামিল: মাওলানা মামুনুল হক

আপডেট সময় ০৯:০৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক বলেছেন আবুল সরকারের আল্লাহদ্রোহী বক্তব্য জঘন্য ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তার বিরুদ্ধে তৌহিদী জনতার প্রতিক্রিয়া ছিল শান্তিপূর্ণ ও ঈমানি দায়িত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ। অপরাধীকে রক্ষা করতে গিয়ে প্রতিবাদকারীদের ওপর দোষ চাপানো অবিচার ও ইসলামী চেতনার প্রতি স্পষ্ট অবজ্ঞা।

 

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন আবুল সরকারের পক্ষাবলম্বী সব গোষ্ঠীর এই অসত্যোপাসনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তারা অপরাধীর ধর্মবিরোধী বক্তব্য নিয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করেনি; বরং আল্লাহ ও দ্বীনের বিরুদ্ধে অবমাননাকে আড়াল করে মুসলিম জনতার স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদকে ‘উগ্রবাদ’ বলছে এটি বিগত ফ্যাসিবাদী ভাষাচর্চারই পুনরাবৃত্তি। তৌহিদী জনতার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে ‘ধর্মান্ধতা’ বলা সংঘাত উসকে দেয়ার শামিল।

 

তিনি বলেন আবুল সরকারের সমর্থকরা মানিকগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে উসকানিমূলক আচরণের মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালিয়েছে, যা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত। আরও উদ্বেগজনক হলোএকটি রাজনৈতিক দল, কিছু বুদ্ধিজীবী ও ইসলামবিরোধী চক্র আল্লাহর প্রতি চরম অবমাননাকর বক্তব্যকে আড়াল করে কুখ্যাত এই বাউলের পক্ষাবলম্বন করছে। এমনকি একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলের মহাসচিবও ঠাকুরগাঁওয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৌহিদী জনতার ন্যায্য প্রতিবাদকে উগ্রবাদী-ধর্মান্ধ চক্রের কাজ বলেছেন।

 

তিনি আবুল সরকারের দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে বলেন, অনুভূতিতে আঘাতকারীদের প্রতি শূন্য সহনশীলতার নীতি কার্যকর করতে হবে। রাজনৈতিক মহলকে ধর্মীয় বিষয়ে সংযত, দায়িত্বশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ বক্তব্য প্রদানের চর্চা গড়ে তুলতে হবে।