ঢাকা ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তারেক রহমান দেশে ফিরতে না পারা জাতীয় স্বার্থের প্রশ্ন”— মন্তব্য মির্জা গালিবের

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ০৯:৫০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫২৫ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে চলমান বিতর্ককে “ব্যক্তিগত নয়, বরং জাতীয় স্বার্থ এবং স্বাধীনতা–সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন” বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক মির্জা গালিব। তিনি বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যদি নিজের দেশে ফিরতে বাধাগ্রস্ত হন, তবে তা শুধু একজন ব্যক্তির সমস্যা নয়; বরং রাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিবেশ, ক্ষমতার ভারসাম্য এবং জাতীয় নিরাপত্তার ওপরও প্রশ্ন তোলে।

মির্জা গালিব বলেন, “যে বা যারা তাকে দেশে ফেরাতে বাধা দিচ্ছে—তারা কেবল আজ নয়, ভবিষ্যতেও প্রভাব বিস্তার করতে পারে। আগামী দিনে তারেক রহমান যদি প্রধানমন্ত্রী হন, তখন তারা দেশের স্বার্থবিরোধী কিছু করতে তাকে চাপ দেবে না—এমন নিশ্চয়তা কে দেবে?”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই ইস্যু নিয়ে দেশবাসীকে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেওয়া জরুরি। কারণ আইনগত বাধা নেই বলা হলেও বাস্তবে তার দেশে ফেরা আটকে আছে—এটি স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। জনগণের জানার অধিকার আছে, কোন শক্তি বা কোন পরিস্থিতিই তার দেশে ফেরার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মির্জা গালিবের মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা বাধাগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি মূলত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, নিরাপত্তা বিবেচনা এবং অভ্যন্তরীণ–বাহ্যিক বিভিন্ন শক্তির প্রভাবের সমন্বয়। ফলে এটি দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ, সুষ্ঠু রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং শাসনব্যবস্থার স্বচ্ছতার ওপরও সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

তিনি বলেন, “এটি এখন জাতীয় আলোচনার বিষয়। জনগণ জানতে চায়—যে দেশে তারা ভোট দেয়, সেই দেশের প্রধান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কেন নিজের মাটিতে পা রাখতে পারছেন না।”

কনটেন্ট শুট করতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ আল-আমিন, বারডেমে মৃত্যুশয্যায়

তারেক রহমান দেশে ফিরতে না পারা জাতীয় স্বার্থের প্রশ্ন”— মন্তব্য মির্জা গালিবের

আপডেট সময় ০৯:৫০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে চলমান বিতর্ককে “ব্যক্তিগত নয়, বরং জাতীয় স্বার্থ এবং স্বাধীনতা–সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন” বলে মন্তব্য করেছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক মির্জা গালিব। তিনি বলেন, দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যদি নিজের দেশে ফিরতে বাধাগ্রস্ত হন, তবে তা শুধু একজন ব্যক্তির সমস্যা নয়; বরং রাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিবেশ, ক্ষমতার ভারসাম্য এবং জাতীয় নিরাপত্তার ওপরও প্রশ্ন তোলে।

মির্জা গালিব বলেন, “যে বা যারা তাকে দেশে ফেরাতে বাধা দিচ্ছে—তারা কেবল আজ নয়, ভবিষ্যতেও প্রভাব বিস্তার করতে পারে। আগামী দিনে তারেক রহমান যদি প্রধানমন্ত্রী হন, তখন তারা দেশের স্বার্থবিরোধী কিছু করতে তাকে চাপ দেবে না—এমন নিশ্চয়তা কে দেবে?”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই ইস্যু নিয়ে দেশবাসীকে পরিষ্কার ব্যাখ্যা দেওয়া জরুরি। কারণ আইনগত বাধা নেই বলা হলেও বাস্তবে তার দেশে ফেরা আটকে আছে—এটি স্বাভাবিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। জনগণের জানার অধিকার আছে, কোন শক্তি বা কোন পরিস্থিতিই তার দেশে ফেরার পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মির্জা গালিবের মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা বাধাগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি মূলত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, নিরাপত্তা বিবেচনা এবং অভ্যন্তরীণ–বাহ্যিক বিভিন্ন শক্তির প্রভাবের সমন্বয়। ফলে এটি দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ, সুষ্ঠু রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং শাসনব্যবস্থার স্বচ্ছতার ওপরও সরাসরি প্রভাব ফেলছে।

তিনি বলেন, “এটি এখন জাতীয় আলোচনার বিষয়। জনগণ জানতে চায়—যে দেশে তারা ভোট দেয়, সেই দেশের প্রধান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কেন নিজের মাটিতে পা রাখতে পারছেন না।”