ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ২৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুড়িকাটা পেঁয়াজের বাম্পার ফলন, চাষিরা লাভে খুশি

  • ডেস্ক রিপোর্টঃ
  • আপডেট সময় ১১:০১:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৬৬ বার পড়া হয়েছে

 

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) – এ বছর গোবিন্দগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজের ফলন আশানুরূপ হচ্ছে এবং বাজারে দাম বেশি হওয়ায় চাষিরা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি লাভবান হয়েছেন। সার, বীজসহ কৃষি উপকরণের ব্যয় বাড়লেও, কৃষি বিভাগের তদারকি ও পরামর্শের ফলে সঠিক সময়ে সার, সেচ ও পরিচর্যা করা সম্ভব হয়েছে, যার কারণে পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে।

উপজেলার দরবস্ত, কোচাশহর, গুমানিগঞ্জ, কামারদহ, রাজাহার, ফুলবাড়ী, তালুককানুপুর ও রাখালবুরুজ ইউনিয়নসহ পৌরসভা এলাকায় মোট সাড়ে ছয় হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষ হয়েছে। শীতের শুরুতে কাঁচাপাতা বিক্রি হলেও এখন গাছ বড় হওয়ায় চাষিরা মুড়িকাটা পেঁয়াজও বাজারজাত করছেন।

মৌসুমের শুরুর দিকে প্রতি মণ পেঁয়াজ দুই হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে দাম বেড়ে প্রতি মণ তিন হাজার টাকায় পৌঁছেছে। যদিও বীজ ও সারসহ কৃষি উপকরণের দাম বাড়ায় চাষে ব্যয়ভারও বেশি হয়েছে, তবুও উৎপাদিত পেঁয়াজ ভালো দামে বিক্রি হওয়ায় কৃষকরা সন্তুষ্ট।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের প্রযুক্তিগত পরামর্শ ও সহায়তা দিয়ে পেঁয়াজের চাষ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এতে ভবিষ্যতে পেঁয়াজ আমদানি নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


 

জনপ্রিয় সংবাদ

যে এলাকার নেতা প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন, সে এলাকায় কি উন্নয়ন হবে না: প্রশ্ন গোলাম পরওয়ারের

মুড়িকাটা পেঁয়াজের বাম্পার ফলন, চাষিরা লাভে খুশি

আপডেট সময় ১১:০১:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

 

গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) – এ বছর গোবিন্দগঞ্জে মুড়িকাটা পেঁয়াজের ফলন আশানুরূপ হচ্ছে এবং বাজারে দাম বেশি হওয়ায় চাষিরা প্রত্যাশার চেয়ে বেশি লাভবান হয়েছেন। সার, বীজসহ কৃষি উপকরণের ব্যয় বাড়লেও, কৃষি বিভাগের তদারকি ও পরামর্শের ফলে সঠিক সময়ে সার, সেচ ও পরিচর্যা করা সম্ভব হয়েছে, যার কারণে পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে।

উপজেলার দরবস্ত, কোচাশহর, গুমানিগঞ্জ, কামারদহ, রাজাহার, ফুলবাড়ী, তালুককানুপুর ও রাখালবুরুজ ইউনিয়নসহ পৌরসভা এলাকায় মোট সাড়ে ছয় হেক্টর জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের চাষ হয়েছে। শীতের শুরুতে কাঁচাপাতা বিক্রি হলেও এখন গাছ বড় হওয়ায় চাষিরা মুড়িকাটা পেঁয়াজও বাজারজাত করছেন।

মৌসুমের শুরুর দিকে প্রতি মণ পেঁয়াজ দুই হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হলেও বর্তমানে দাম বেড়ে প্রতি মণ তিন হাজার টাকায় পৌঁছেছে। যদিও বীজ ও সারসহ কৃষি উপকরণের দাম বাড়ায় চাষে ব্যয়ভারও বেশি হয়েছে, তবুও উৎপাদিত পেঁয়াজ ভালো দামে বিক্রি হওয়ায় কৃষকরা সন্তুষ্ট।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মাঠপর্যায়ে কৃষকদের প্রযুক্তিগত পরামর্শ ও সহায়তা দিয়ে পেঁয়াজের চাষ বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এতে ভবিষ্যতে পেঁয়াজ আমদানি নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।